স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: পর্ণশ্রী থানা এলাকার বকুলতলার বাসুদেবপুরে শম্পা চক্রবর্তীকে (৪৭)খুন করে তার দেহ লোপাটের চেষ্টা করেছিল মেয়ে-জামাই৷ স্থানীয় বাসিন্দারা দেখে ফেলায় দেহ ফেলে চম্পট দিয়েছিল তারা৷ কিন্তু শেষে পুলিশের কাছে ধরা পড়ে যায় মেয়ে স্নেহা এবং জামাই জয় সামুই। সোমবার ধৃতদের আলিপুর আদালতে তোলা হলে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে বিচারক৷

পুলিশ সূত্রে খবর, খুন হয়ে যাওয়া শম্পা চক্রবর্তী তার মেয়ে ও জামাইয়ের বেলাগাম জীবন যাপনে বাধা দিতেন৷ মদ্য পান করে গভীর রাতে বাড়িতে ফেরা পছন্দ করতেন না শম্পার স্বামী ভুপাল চক্রবর্তীও৷ মাঝে মাঝেই তাদের কাছে টাকা চেয়ে অশান্তি করত মেয়ে জামাই৷ শনিবার রাতে শম্পা চক্রবর্তীকে গলা কেটে খুন করার পর তার স্বামীকেও খুনের পরিকল্পনা ছিল মেয়ে-জামাইয়ের৷ শুধু তাই নয়, এর আগে ঘুমের ওষুধ খাইয়ের খুনের চেষ্টা করেছিল তারা৷

গত রবিবার সকালে বিছানার চাদর জড়ানো এক মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ৷ চাদর খুলতেই দেখা গিয়েছে ওই মহিলার গলা কাটা৷ এবং তার মুখে কালো একটি প্লাস্টিক জড়ানো৷ পাশেই পড়ে ছিল একটি ট্রলি ব্যাগ৷ এই ঘটনায় পরে পর্ণশ্রী থানার পুলিশ মৃতার মেয়ে ও জামাইকে গ্রেফতার করে৷ পুলিশি জেরায় তারা খুনের কথা শিকার করে বলে পুলিশের দাবি৷

স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকার শম্পা চক্রবর্তী (৪৭) কে গলা কেটে খুন করা হয়েছে৷ এমনকি খুনের পর ওই দেহ লোপাটের চেষ্টা করা হয়েছিল৷ পর্ণশ্রী থানার বাসুদেবপুর রোডের যেখানে তার দেহটি পড়ে ছিল তার ঠিক উল্টো দিকেই একটি ফ্লাটের তিন তলায় থাকতেন তিনি৷ তার সঙ্গে থাকতেন তার স্বামী ভুপাল চক্রবর্তী৷ যিনি পেশায় একজন নিরাপত্তাকর্মী৷ আর মাঝে মাঝেই ওই বাড়িতে আসতেন শম্পা দেবীর মেয়ে ও জামাই৷ শনিবার গভীর রাতে ওই বাড়ির ভিতরে চিৎকার শোনা যাচ্ছিল৷ এবং মেয়ে জামাইকেও ওই বাড়ি থেকে বেরোতে দেখা গিয়েছে৷

জয়েন্ট সিপি ক্রাইম মুরলীধর শর্মা জানান, ধারালো অস্ত্র দিয়ে শম্পা চক্রবর্তীর গলা কাটা হয়েছে৷ দেহটি বিছানার চাদরে জড়ানো এবং লাইলনের দড়ি দিয়ে বাঁধা ছিল৷ এবং মৃতার ঘর বাইরে থেকে তালা বন্ধ ছিল৷ পুলিশ তালা ভেঙ্গে ঘরের ভিতর ঢোকে৷ সেখান থেকে একটি রক্তমাখা ছুরি উদ্ধার করা হয়৷ এছাড়া যে বিছানার চাদরে মৃতদেহটি মোড়া ছিল,সেই চাদরটিও ওই বাড়িরই৷

রবিবার ভোররাতে স্থানীয় এক মহিলা দেখেন, এক ব্যাক্তি একটি বাই সাইকেলের পেছনে বিছানার চাদর মোড়া কিছু নিয়ে যাচ্ছেন৷ একটু পরে তা পড়ে যায়৷ তার পাশে রয়েছে একটি ট্রলি ব্যাগ৷ সেই অবস্থায় সে সাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়৷ কিন্তু একজন মহিলা তার পাশে ঘোরাঘুরি করছেন৷ সন্দেহ হওয়ায় ওই প্রত্যক্ষদর্শী সেই সময়ের ভিডিও তুলে রাখেন৷ এবং পুলিশকে খবর দেন৷ পুলিশ এসে মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তে পাঠিয়েছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।