বিশ্ব সংসারে ধনী ও বঞ্চিতদের ভেদাভেদ যে সময়ে বাড়ছিল ঠিক সেই সময়েই খুব সাধারণ মানের জীবনযাপনের আদর্শ সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিতে জন্ম নেন মহাবীর। জৈন ধর্মের ২৪ তম তীর্থঙ্কর এক রাজপরিবারে জন্মালেও তিনি মাত্র ৩০ বছর বয়সে সাংসারিক মোহ-মায়া ত্যাগ করে তপস্যায় ব্রতী হন। এরপর প্রেম, অহিংসার বাক্য ছড়িয়ে দেন সমাজের মাঝে।

তার জন্মতিথিকে উদযাপন করতেই এই “মহাবীর জয়ন্তী” পালন করা হয়। জৈনদের জন্যে এই দিনটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এই তিথিকে “মহাবীর জন্ম কল্যাণক”ও বলা হয়ে থাকে। প্রতি বছর মহা সমারোহে জৈনরা দিনটি পালন করলেও এই বছর তা করা দুশ্চিন্তার কারণ এই বছর করোনার প্রভাবে জমায়েত বা অনুষ্ঠানে সবক্ষেত্রেই এসেছে ভাঁটা।

প্রতি বছরই এই দিনটি মার্চ বা এপ্রিলেই পড়ে। খ্রিস্টপূর্ব ৫৯৯ অব্দে চৈত্র মাসে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। হিন্দু ক্যালেন্ডার অনুযায়ী প্রতি বছরই চৈত্র মাসের ১৩ তম দিনে মহাবীরের জন্মতিথি হিসেবে পালন করা হয়। এই বছর অর্থাৎ ২০২১ সালে ২৫ শে এপ্রিল পালিত হবে মহাবীর জয়ন্তী। ত্রয়োদশী তিথি শুরু হবে সন্ধে ৭.১৭ মিনিটে। সেই তিথি শেষ হবে ২৫ তারিখ অর্থাৎ রবিবার বিকেল ৪.১২ মিনিটে। এবার যদি বাড়িতে আপনি করতে চান পুজো, তাহলে মানতে হবে কিছু বিধি বা নিয়ম। খুব সহজ এই বিধিগুলি। মেনে চলুন। আপনার প্রার্থনা পূরণ হবে।

১. বিধি মেনে পুজো করতে চাইলে উপোস করে ব্রত পালন করুন।

২. পুজোর কক্ষটি পরিষ্কার করুন সকালে ঘুম থেকে উঠে। ফুল দিয়ে সাজান ভগবানের সামনের জায়গাটি।

৩. ফুল, প্রসাদ ও ফল নিবেদন করুন ঠাকুরের সামনে।

৪. মহাবীর জয়ন্তীর প্রার্থনা জোরে জোরে উচ্চারণ করুন।

আরো পোস্ট- মহাবীর জয়ন্তী ২০২১: ঐতিহ্যবাহী দিনটির তাৎপর্য কী

৫. এই দিন দান-ধ্যান করলে পুণ্য অর্জন হয়। তাই অসহায়দের খাবার, পোশাক দান করতে পারেন।
অনেক মন্দির এই দিন শোভাযাত্রা করে মহাবীরের মূর্তি নিয়ে বের হয়। ডসারাদিন সেইসব মন্দিরগুলির চূড়ায় পতাকা উড়তে দেখা যায়।

 

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.