Eid

নয়াদিল্লিঃ চলছে রোজার মাস। সামনেই রয়েছে ঈদ। কিন্তু দেশের করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় চলছে দফায় দফায় লকডাউন। আর এই অবস্থায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সহ যেকোনও ধরনের জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। ফলে বর্তমান করোনা পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে ইসলামী মাদ্রাসা দারুল উলূম দেওবন্দ পবিত্র ঈদ পালন এবং নামাজ পড়ার উপর ফতোয়া জারি করেছে।

করোনা ঠেকাতে দেশব্যাপী দফায় দফায় লকডাউনের মধ্যে ঈদের নামাজ নিয়ে নয়া গাইডলাইন প্রকাশ করেছে দারুল উলূম দেওবন্দ। এই বিষয়ে মৌলানা আবদুল খালিক মাদ্রাসী ‘নায়েব মোক্তামিম’ একটি ফতোয়া জারি করে বলেছেন যে, “বর্তমান অবস্থায় ‘নামাজে চশত’ দেওয়া ভাল।” ফতেয়াতে আরও বলা হয়েছে যে নামাজকে যথাযথভাবে পালন না করা এই পরিস্থিতিতে ক্ষমাযোগ্য।

এই পরিস্থিতিতে তিনি ৩ থেকে ৫ জনের মজলিসে নামাজ পড়ার কথা বলেছেন। শুধু তাই নয়, করোনার কারণে এবছর মসজিদে গিয়ে প্রার্থনা করতে না পারলে চিন্তার দরকার নেই। কারণ, এইরকম পরিস্থিতিতে জামাতে নামাজ না পড়লে ক্ষমা করা হয় বলে জানিয়েছেন তিনি।

এর আগে, অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড (AIMPLB) ঈদের নামাজ উপলক্ষে মুসলমানদের বড় সমাবেশ এড়াতে এবং দু’জন প্রার্থনাকারীর মধ্যে মাস্ক পড়ে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে নামাজ পড়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, চলতি বছরে ১৩ মে বা ১৪ মে ঈদ পালন হওয়ার কথা।

অন্যদিকে, স্থির থাকছে না করোনার গ্রাফ (COVID-19)। কখন তা নিম্নমুখী আবার ২৪ ঘণ্টা পরই ঊর্ধ্বমুখী। মঙ্গলবার দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লক্ষ ৩০ হাজারের নিচে নেমে গেলেও বুধবার ফের তা বেড়ে গেল। যদিও সাড়ে ৩ লক্ষের গণ্ডি টপকায়নি আক্রান্তের সংখ্যা। কিন্তু মৃতের সংখ্যা এদিন ফের ৪ হাজারের গণ্ডি পার করেছে।

বুধবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গোটা দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ৪৮ হাজার ৪২১ জন। মঙ্গলবারের তুলনায় বেড়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। মঙ্গলবার ৩ লক্ষ ২৯ হাজার ৯৪২ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃতের সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে। এদিন ফের মৃত্যুর সংখ্যা ৪ হাজারের গণ্ডি টপকালো। মঙ্গলবার যেখানে ৩ হাজার ৮৭৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল সেখানে বুধবার ৪ হাজার ২০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। কমেছে দৈনিক সুস্থতার হারও। মঙ্গলবার ৩ লক্ষ ৫৬ হাজার ৮২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছিলেন। অন্যদিকে বুধবার ৩ লক্ষ ৫৫ হাজার ৩৩৮ জন সুস্থ হয়েছেন। এই মুহূর্তে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২ কোটি ৩৩ লক্ষ ৪০ হাজার ৯৩৮ জন। সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৭ লক্ষ ৪ হাজার ৯৯ জন। এখনও পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ৯৩ লক্ষ ৮২ হাজার ৬৪২ জন। দেশের করোনায় আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ২ লক্ষ ৫৪ হাজার ১৯৭ জনের। মোট ১৭ কোটি ৫২ লক্ষ ৩৫ হাজার ৯৯১ জনকে এখনও পর্যন্ত ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.