ঢাকা: মু্ম্বইয়ে ডাবিং সেরেই আপাতত বাংলাদেশে দর্শনা বণিক। কারণ নায়িকার ইনস্টাগ্রাম বলছে, ‘অপারেশন সুন্দরবন’-এর পরে তিনি ব্যস্ত আগামী ছবি ‘অন্তরাত্মা’র শ্যুটে। ওপার বাংলার এই ছবিতে কলকাতার দর্শনার বিপরীতে ঢাকার জনপ্রিয় তারকা শাকিব খান। সূত্রের খবর ১০ মার্চ অভিনেত্রী পা রেখেছেন পাবনা জেলায়। সেখানেই শ্যুটিং চলছে চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক ওয়াজেদ আলি সুমনের এই ছবির। কাহিনিকার-প্রযোজক সোহানি হোসেন।

তবে শুটিংয়ের ব্যস্ততার মধ্যেও বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস সুবর্ণজয়ন্তীতে সামিল হলেন অভিনেত্রী। সে ছবি দর্শনা বণিক নিজেই পোস্ট করেছেন তার সোস্যাল সাইটে।ছ বিতে দেখা যাচ্ছে দর্শনার চার পাশে অনেক মানুষ। সম্ভবত সবাই দেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন দেখছেন। দর্শনা জানিয়েছেন, ভারতের মতোই এ দেশেও সকাল থেকেই চলছে কুচকাওয়াজ। পতাকা তোলা হয়েছে প্রায় সব জায়গাতেই। দর্শনার পরনে পান্নাসবুজ কামিজ জুড়ে অসংখ্য সাদা হার্ট সাইন এর মোটিফ।

‘অন্তরাত্মা’ ছবির মুক্তির আগে মুম্বইয়ে ইমরান হাসমির সঙ্গে একটি ছবির শ্যুটিংয়ে ব্যস্ত ছিলেন অভিনেত্রী জানা যাচ্ছে ভবিষ্যতে হিন্দি বেশ কয়েকটি ওয়েব সিরিজের কাজ করার কথা আছে তার।

২৬ মার্চ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ৫০ বছর। ১৯৭১ সাল ২৬শে মার্চ ‘অপারেশন সার্চলাইট’ শুরু করেছিল পাক বাহিনী। উদ্দেশ্য ছিলো বাংলাদেশি বুদ্ধিজীবী ও মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করা। বহু প্রাণের বলিদানের বিনিময়ে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে মানচিত্রে উঠে আসে বাংলাদেশ। ৫০ বছরের ইতিহাসকে ফিরে দেখলেন দুই বাংলার প্রথম সারির অভিনেত্রী জয়া আহসান।

বীর শহিদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে ইনস্টাগ্রামে সাদা-কালো ছবি পোস্ট করেন অভিনেত্রী। যেখানে সারি দিয়ে মাটিতে পড়ে মানুষের কঙ্কাল। পাশে সারবদ্ধ অসংখ্য মানুষ। ক্যাপশনে লেখেন , ‘চরমতম নিষ্ঠুরতায় ঠিক আজকের দিন থেকে পাকিস্তানিরা শুরু করেছিল গণহত্যা, বাঙালিদের বিরুদ্ধে, ঠিক ৫০ বছর আগে…’।পাশাপাশি এ-ও জানিয়েছেন, ‘একাত্তরের শেষে পাকিস্তানিরা যখন বুঝল ওদের নিয়তি পরাজয়, জেনারেল রাও ফরমান আলি তালিকা বানাল এ দেশের সেরা মানুষদের। স্বাধীন বাংলাদেশকে নক্ষত্রহারা করার জন্য হত্যা করল বুদ্ধিজীবীদের। আজ সেই গণহত্যা দিবস’। রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ও গণহত্যার রক্তে ভেজা সিঁড়ি পেরিয়ে মাথা উঁচু করে আছে বাংলাদেশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।