স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: বিগত দুই দিন ধরে ডুয়ার্সের বহু চা বাগানে নেমে এসেছে অন্ধকার৷ একে একে বন্ধ চা বাগানের তালিকা জঙ্গলি লতার মতো উর্দ্ধমুখী৷ সমস্যা সমাধানের জন্য শুধু মিলেছে বুক ভরা প্রতিশ্রুতি৷

নাগড়াকাটা ব্লকের গ্রাস মোর চা বাগান দীর্ঘ প্রায় আট মাস ধরে বন্ধ৷ ওই চা বাগানের অন্যান্য শ্রমিকদের সঙ্গে একদা অফিসের কাজে নিযুক্ত কর্মচারীদের আনুমানিক কুড়িটি পরিবার আজ অসহায়৷ পরিবারের স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের জীবন আরও দুর্বিষহ হয়ে পরেছে৷

মালিক পক্ষ চা বাগান ছেড়ে চলে যাওয়ার সময় কর্মীদের আবাসনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়ে গিয়েছে৷ তারপর থেকেই আবাসনে থাকা ছাত্র ছাত্রীদের রাতের পড়া একপ্রকার বন্ধ৷ পথবাতির নিচে বসে পড়াশোনো চালিয়ে যাচ্ছে শিশু কিশোরেরা। অথচ হেলদোল নেই বিদ্যুৎ সরবরাহ দফতরের।

বহুদিন আগেই এই পরিবারের মানুষেরা ব্যাক্তিগতভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়ার জন্য অর্থ জমা করেছিলেন৷ কিন্তু আজ পর্যন্ত রাতের অন্ধকার ঘোচেনি এই পরিবারের সদস্যদের৷ শুক্রবার জলপাইগুড়িতে বিদ্যুৎ দফতরের উচ্চপদস্থ কর্তার সঙ্গে দেখা করে সমস্যার কথা জানিয়েও লাভ না হয়নি৷ তাই তাঁরা বাধ্য হয়ে শনিবার রাতে হাতে মোমবাতি এবং প্লেকার্ড নিয়ে হাজির হল এলাকার বিদ্যুৎ সরবরাহ দফতরে৷