দার্জিলিং জেলা পরিচিতি :

শিবপ্রিয় দাশগুপ্ত :পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তরে, পূর্ব হিমালয়ের পাদদেশে দার্জিলিং জেলা অবস্থিত। এই জেলা  নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশের সঙ্গে তিনটি আন্তর্জাতিক সীমানা স্পর্শ করে আছে। এছাড়াও এর সীমানা উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য সিকিম এবং পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলাকে স্পর্শ করে আছে।এটি রাজ্যের এক কম জনবসতিপূর্ণ জেলা, যেখানের মোট জনসংখ্যা হল ১.৮৪২.০৩৪ জন এবং জনঘনত্বে প্রতি বর্গ কিলোমিটার ৪১৩ জন মানুষ বাস করে। এখানকার জনসংখ্যায় লেপচা, গোর্খা, ভুটিয়া, বাঙালিদের সংমিশ্রণ ঘটায়, বিভিন্ন ভাষা এখানে উচ্চারিত হয়। এখানকার প্রধান ভাষা হল – হিন্দি, বাংলা, নেপালি, গোর্খা, ইংরেজি এবং তিব্বতী।

সমগ্র জেলা চারটি উপজেলার সমন্বয়ে গঠিত, যথা – দার্জিলিং (সদর), কালিম্পং, কার্শিয়াং এবং শিলিগুড়ি। জেলার সদর-দপ্তর দার্জিলিং শহর, ৬৭১০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত। কালিম্পং, কার্শিয়াং এবং শিলিগুড়ি হল অন্যান্য প্রধান শহর ও উপ-বিভাগীয় সদর দপ্তর। শিলিগুড়ি এক বৃহত্তম শহর এবং রাজ্যের এক সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ শিল্প শহর। কালিম্পং, দার্জিলিং, কার্শিয়াং হল জনপ্রিয় শৈল শহর।

দার্জিলিং মহাকুমার অন্যান্য শহরগুলো হল – পালবাজার, রাংলি রাংলিয়ট এবং সুখিয়াপোখারি। কালিম্পং মহাকুমার অন্তর্গত শহরগুলি হল কালিম্পং এবং গোরুবাথান। কার্শিয়াং বিভাগের শহরগুলি হল কার্শিয়াং এবং মিরিক এবং শিলিগুড়ি মহাকুমার শহরগুলি হল মাটিগাড়া, নকশালবাড়ি, খড়িবাড়ি, বাতাসী, বাগডোগরা এবং ফাঁসিদেওয়া।

দার্জিলিং জেলার বিধানসভাগুলির মধ্যে রয়েছে কালিম্পঙ , দার্জিলিং, কার্সিয়াং, মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি, শিলিগুড়ি, ফাঁসিদেওয়া।

কালিম্পঙ বিধানসভা কেন্দ্র :

কালিম্পঙ বিধানসভা কেন্দ্রে ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার প্রার্থী সরিতা রাই ৬৭ হাজার ৬৯৩ ভোট পেয়ে নির্বাচনে যেতেন। তিনি পান ৪৯.০৫% ভোট। এই বিধানসভায় সরিতা রাই-এর কাছে পরাজিত হন জন আন্দোলন পার্টির প্রার্থী হড়কা বাহাদুর ছেত্ৰী। তিনি পান ৫৬ হাজার ২৬২ ভোট। শতকরা হিসেবে যা ৪০.৭% ।

দার্জিলিং বিধানসভা কেন্দ্র :

দার্জিলিং বিধানসভা কেন্দ্রে ২০১৬-র বিধানসভা নিৰ্বাচনে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার প্রার্থী আমার সিং রাই ৯৫ হাজার ৩৮৬ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তিনি পান ৫৯.৮৫% ভোট। অন্যদিকে এই বিধানসভা নির্বাচনে দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন তৃণমূলের সারদা রাই সুব্বা। তিনি পান ৪৫ হাজার ৪৭৩ ভোট। শতকরা হিসেবে যা দাঁড়ায় ২৮.৫৩% তে।

কার্সিয়াং বিধানসভা কেন্দ্র :

কার্সিয়াং বিধানসভা কেন্দ্রে ২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার প্রার্থী রোহিত শর্মা জয়ী হন। তিনি পান ৮৬ হাহাজার ৯৪৭ ভোট। শতকরার হিসেবে যা ৫৩.০২%। এদিকে তৃণমূল প্রার্থী শান্তা ছেত্রী ২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে রোহির শর্মার কাছে পরাজিত হন। শান্তা ছেত্রী পান ৫৩ হাজার ২২১ ভোট, শতকরার হিসেবে যা ৩২.৪৫%।

মাটিগাড়া নকশালবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্র :

মাটিগাড়া বিধানসভা কেন্দ্রে ২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের শঙ্কর মালাকার জয়ী হন। তিনি পান ৭৪ হাজার ৩৩৪ ভোট। শতকরা হিসেবে যা ৪৫.১৯%। এই কেন্দ্রে সিপিএম প্রার্থী ঝড়েন রায় শঙ্কর মালাকারের কাছে পরাজিত হন। তিনি পান ৬৭ হাজার ৫০১ ভোট। শতকরা হিসেবে যা দাঁড়ায় ৪১.০৩% তে।

শিলিগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্র :

শিলিগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে ২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনে সিপিএম প্রার্থী অশোক ভট্টাচার্য তৃণমূল প্রার্থী বাইচুং ভুটিয়াকে পরাজিত করে বিধায়ক হন। অশোক ভট্টাচার্য পান ৭৮ হাজার ৫৪ ভোট। বাইচুং ভুটিয়া পান ৬৩হাজার ৯৮২ ভোট। শতকরা হিসেবে অশোক ভট্টাচার্য পান ৪৬.৩৬ শতাংশ ভোট আর বাইচুং ভুটিয়া পান ৩৮% ভোট।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।