বিশ্বজুড়ে তার কোটি কোটি ফ্যান। জনপ্রিয় জেমস বণ্ড সিরিজে অভিনয় করে আট থেকে আশি সকলের মনের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছিলেন ড্যানিয়েল ক্রেগ। সকলের কাছে জেমস বণ্ড এবং তিনি যেন ক্রমেই সমার্থক হয়ে উঠেছিলেন। আবারো তিনি ফিরতে চলেছেন চেনা বণ্ড রূপে শেষবারের জন্য।

যদিও বণ্ড রূপে অনেকেই অভিনয় করেছিলেন। কিন্তু তার জনপ্রিয়তার কাছাকাছি পৌছতে পারেননি কেউই। যদিও পিয়ার্স ব্রসনান নিজের মত করে এই চরিত্রটিতে অভিনয় করেছিলেন। কিন্তু তারপরেও অধিকাংশ যুবতী নারীর কাছে বণ্ড মানেই ছিল ক্রেগ।

তীক্ষ্ণ নীল চোখ তার সঙ্গে ভয়ঙ্কর আবেদন। সব মিলিয়ে পর্দাতে জেমস বণ্ড রুপী ড্যানিয়েল ক্রেগ এলে চেয়ার ছেড়ে ওঠার কথা ভাবতে পারতেন না কেউই।

২০০৬ সাল থেকে বণ্ড রূপী ক্রেগ পর্দাতে তার যাত্রা শুরু করেছিলেন। ছবির নাম ছিল ক্যাশিনো রয়্যাল। শুরুতেই দেখিয়ে দিয়েছিলেন তার অভিনয় প্রতিভা। তারপরে ধীরে ধীরে ২০০৮,২০১২ এবং ২০১৫ সালে পর্দাতে এসেছিলেন তিনি। শেষবার এসেছিলেন স্পেক্ট্রা ছবি নিয়ে। যতবারই পর্দাতে এসেছেন জয় করেছেন দর্শকদের মন।

নো টাইম টু ডাই ছবিটি নিয়ে তিনি আবারও পর্দাতে আসতে চলেছেন। যা জেমস বণ্ড সিরিজে তার অন্তিম ছবি। পাশাপাশি গুজব ছড়াতে শুরু করেছেন এবার কে হবেন বণ্ড। কে উত্তরসূরির জুতোতে পা রাখবেন।

এই সিরিজ টি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন ক্যারি জজী ফূকূণাগা। আগামী ৮ এপ্রিল রিলিজ হতে চলেছে এই ছবিটি। এতে ড্যানিয়েল ক্রেগের পাশাপাশি দেখা যাবে লি সিডোক্সকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I