গোয়েন্দা শব্দটি শুনলেই আমাদের মধ্যে অদ্ভুত রোমাঞ্চ জাগে। কারণ হলো ছোটবেলা থেকেই সিনেমা বা উপন্যাসে আমরা দুর্ধর্ষ গোয়েন্দাদের সাহসিকতা সম্পর্কে জেনে এসেছি।

সেই সঙ্গে সিনেমা দেখেও অনেকেই আবার উৎসাহিত হয়েছি ভবিষ্যতের জন্যে। কিন্তু সবার মনেই এই প্রশ্ন জাগে যে বাস্তব জীবনের গোয়েন্দারাও কি সিনেমার মত চাঞ্চল্যকর?

মাতা হারি: ইতিহাসের এক ভয়ংকর এবং দুর্ধর্ষ নারী গোয়েন্দা তিনি। মার্গারিতা গ্রীথুইডা যেলাকে সংক্ষেপে মাতা হারি বলেই চেনেন সকলে।

নেদারল্যান্ডসের এই নারীর শৈশব সম্পর্কে কিছুই জানা যায়নি। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর নাকি তিনি প্যারিসের সবথেকে জনপ্রিয় নর্তকীতে পরিণত হন।

আরো পোস্ট- অক্ষয় তৃতীয়ায় এমন কিছু করবেন না যে লক্ষ্মী রুষ্ট হন!

তার রুপ এবং নৃত্যে মুগ্ধ হয়ে যুদ্ধরত অনেক মিলিটারি অফিসার এবং বিজনেসম্যান তার সাথে সম্পর্কে জড়াতে চায়। কিন্তু তিনি শুধুমাত্র মিত্রপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সাথে সম্পর্কে জড়াতেন।

সিডনি রেলি: এখনো অবধি যে সকল জগৎ বিখ্যাত ও রোমাঞ্চকর গোয়েন্দা চরিত্র সৃষ্টি হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হল জেমস বন্ড। এই চরিত্র সবথেকে বেশি সিডনি রেলি নামক গোয়েন্দার জীবনের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে।

তিনি আসলে একজন বৃটিশ নাগরিক ছিলেন। তবে “জেমস বন্ড” সিনেমার মত ব্রিটেনের জন্যেই নয়, অনেক দেশের গোয়েন্দা হিসেবে কাজ করেছেন ও সম্মান কুড়িয়েছেন তিনি।

সিডনি রেলি ছদ্মবেশ নেওয়া এবং নিজের সম্পর্কে মিথ্যে তথ্য প্রচার করতে দক্ষ ছিলেন। এ কারণেই তিনি বেশ আবার বেশ সফলও হয়েছিলেন।

আবার অন্যদিকে তার জীবনকে তিনি লোকজনের থেকে একটু আড়ালে আবডালে রেখেছেন। ছদ্মবেশ ধরে অনেক দেশ থেকে গোপন অস্ত্র, প্লেন এবং মিলিটারির নানা দরকারি তথ্য চুরি করে ব্রিটেন এবং আমেরিকায় পাচার করেছেন।

আবার এসব তথ্য চুরির জন্য তার প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বকে কাজে লাগিয়ে বেশ কিছু অফিসারের স্ত্রীদের সাথে সম্পর্কে আবদ্ধ হয়েছেন। সিডনি রেলির সবথেকে জনপ্রিয় এক মিশনের কথা জানা যায় যা ছিল বলশেভিক বিপ্লব থামানোর চেষ্টা।

কিছু বৃটিশ গোয়েন্দারা মিলে রাশিয়ায় সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব ঠেকানোর জন্য লেনিনকে হত্যার ষড়যন্ত্র নাকি কষেছিলেন। তবে দুর্ভাগ্যক্রমে তাদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.