আমেদাবাদ: আম্বেদকর জয়ন্তীতে আম্বেদকরকে শ্রদ্ধা জানাতে পারলেন না বিজেপি নেতা৷ তাঁকে বাধা দিন দলিত অ্যাক্টিভিস্টরা৷

আজ ডক্টর ভীমরাও আম্বেদকরের ১২৭তম জন্মদিবস৷ সেই কারণেই বিজেপি সাংসদ কিরিত সোলাঙ্কি তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়েছিলেন৷ কিন্তু তাঁকে মূর্তিতে মালা পরানো থেকে আটকানো হয়েছে বলে অভিযোগ৷ সেই সঙ্গে বিজেপি বিরোধী স্লোগানও তোলা হয়েছে৷ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ, দলিত অ্যাক্টিভিস্টরা তাঁকে বাধা দেন৷ তারা বিধায়ক জিগনেশ মেভানির সমর্থক বলে খবর৷ ঘটনায় ৫ দলিত অ্যাক্টিভিস্টকে পুলিশ আটক করেছে৷ সোলাঙ্কি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, আম্বেদকরকে শ্রদ্ধা জানানো থেকে কোনও দল বিজেপিকে আটকাতে পারবে না৷

আরও পড়ুন: সংরক্ষণ আইন অপরিবর্তিত রাখতে চায় সরকার

গত ২০ মার্চ সুপ্রিম কোর্ট একটি নির্দেশ দেয়। বলা হয়, সরকারি কর্মীদের বিরুদ্ধে তফশিলি জাতি ও উপজাতিদের উপর অত্যাচার বনধের আইনের অপব্যবহার হচ্ছে। তাই এখন থেকে আর নিয়োগ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া এই আইনে কোনও সরকারি কর্মীকে গ্রেফতার করা যাবে না। তপশিলি জাতি–উপজাতির উপর অত্যাচারের কোনও মামলা দায়ের করার আগে সেই ঘটনা ডিএসপি পর্যায়ের কোনও আধিকারিককে দিয়ে তদন্ত করাতে হবে। শীর্ষ আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধেই ২ এপ্রিল ভারত বনধের ডাক দেয় একাধিক দলিত সংগঠন৷

এই নিয়ে ২ এপ্রিল বনধের ডাক দেয় পিস্যান্টস অ্যান্ড ওয়ার্কার্স পার্টি, ভারিপ বহুজন মহাসঙ্ঘ, সিটু, জাতি অন্ত সংঘর্ষ সমিতি, রাষ্ট্রীয় সেবা দল, ন্যাশনাল দলিত মুভমেন্ট ফর জাস্টিস সহ বিভিন্ন সংগঠন। সকাল থেকে বনধের জেরে থমথমে ছিল গোটা উত্তর ভারত৷ ক্রমে অশান্তি ও হিংসা দানা বাধতে শুরু করে৷

একাধিক রাজ্যে শুরু হয় ট্রেন অবরোধ৷ পাঞ্জাব, রাজস্থান, ঝাড়খন্ডে ছড়িয়ে পড়ে অশান্তি৷ পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করে মধ্যপ্রদেশে৷ সেখানে অশান্তির বলি হয় চারজন৷ গোয়ালিয়ারে পুলিশের গুলিতে দু’জন মারা গিয়েছে৷ একজন ভিন্দ ও সংলগ্ন মোরেনা এলাকায় আরও দু’জন মারা গিয়েছে৷ রাজ্যে ক্রমশ আইন শৃঙ্খলা ভেঙে পড়তে শুরু করে৷