প্রতীকী ছবি৷

জয়পুর: পুলিশের খাতায় অভিযোগ, একটি মেয়ের শ্লীলতাহানি করেছিল৷ যদিও স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ জানিয়েছে, দলিত হয়ে মন্দিরে ঢোকার চেষ্টা করেছিল৷ সেই ‘অপরাধে’ তাকে বেধড়ক পেটায় গেরুয়াধারীরা৷ পুলিশ অবশ্য দুই পক্ষকেই থানায় টেনে নিয়ে যায়৷

আরও পড়ুন: পুলিশ-বিক্ষোভকারী সংঘর্ষ, ঈদের সকালে কাশ্মীর জুড়ে অশান্তি

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল সেই ঘটনার ভিডিও৷ তাতে দেখা গিয়েছে, মাটিতে ফেলে বেধড়ক পেটানো হচ্ছে এক নাবালককে৷ ছেড়ে দেওয়ার জন্য আকুতি-মিনতি করছে সে৷ কিন্তু তার কোনও কথাই কানে তুলছে না হামলাকারীরা৷ এদিকে নাবালক ছেলেটি পালাতেও পারছে না৷ কারণ তার হাত-পা বাধা৷ আর হামলাকারীরা দলে ভারী৷ ঘটনাটি দেখতে অনেকে সেখানে ছুটে আসেন৷ কিন্তু সকলেই নীরব দর্শক সেজে৷ তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় তো আর নীরব থাকা যায় না৷ সেখানে ঘটনার প্রতিবাদে গর্জে উঠেছেন নেটিজেনরা৷

ঘটনাটি রাজস্থানের পালি জেলার৷ অভিযোগ, দলিত নাবালককে পিটিয়ে পারে একদল যুবক৷ কয়েকজন গেরুয়া বসন পরে ওই নাবালকের উপর চড়াও হয়৷ দলিত হয়ে সে মন্দিরে ঢোকার ‘স্পর্ধা’ দেখিয়েছিল৷ এই ছিল তাঁর ‘অপরাধ’৷

যদিও পুলিশের খাতায় অন্য অভিযোগ জমা পড়েছে৷ সেখানে বলা হয়েছে, ওই ছেলেটি একটি মেয়ের শ্লীলতাহানি করে৷ উচিত শিক্ষা দিতে ওই ছেলেটির হাত-পা বেঁধে তাকে পেটানো হয়৷ ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, কেউ কেউ লাঠি নিয়ে এসে তাকে মারছে৷ আর ছেলেটি বারবার তাকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছে৷

আরও পড়ুন: ঈদের জমায়েতে মুখ্যমন্ত্রীর গলায় ‘জয় বাংলা’, ‘জয় ভারত’ ধ্বনি

পরে পালি জেলার পুলিশ ওই ছেলেটির নামেই পকসো ধারায় অভিযোগ দায়ের করে৷ জুভেনাইল কোর্টে তোলার পর দলিত ছেলেটিকে হোমে পাঠানো হয়৷ অপরদিকে হামলাকারীদের নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ৷