স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: পয়লা জুন থেকে রাজ্যে মন্দির, মসজিদ, গির্জা, গুরুদ্বার খুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তারপরও ১ জুন থেকে মন্দির না খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেলুড় মঠ, দক্ষিণেশ্বর ও তারকেশ্বর মন্দির কর্তৃপক্ষ। ৩১ মে চতুর্থ দফার লকডাউন শেষ হওয়ার পরের দিন থেকে রাজ্যে মন্দির, মসজিদ, গির্জা, গুরদ্বার খোলায় বাধা থাকবে না বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

শুক্রবার নবান্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘মন্দির-মসজিদ খুললেও কোনও জমায়েত করা যাবে না। ভিতরে এক বারে ১০ জনের বেশি ঢোকা যাবে না। এর অন্যথা হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ধর্মীয় স্থানে কোনও জমায়েত বা অনুষ্ঠান করা যাবে না। পাশাপাশি প্রবেশ পথে ধর্মস্থানগুলির কর্তৃপক্ষকেই স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা করতে হবে।’’

কিন্তু বেলুড় মঠ ও দক্ষিণেশ্বর কর্তৃপক্ষ জানায়, সোমবার থেকেই মঠ ও মন্দির প্রাঙ্গণ সকলের জন্য খুলে দেওয়া সম্ভব নয়। আগামী ১৫ দিনের মধ্যেও সে ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে না বলেই জানান তাঁরা। বেলুড় মঠ কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৬-২০ জুনের মধ্যে ভক্তরা মঠে প্রবেশ করতে পারবেন।

বেলুড় মঠে সাধারণ সম্পাদক স্বামী সুবীরানন্দ জানিয়েছেন, মঠে মানা হবে একাধিক সুরক্ষাবিধি। কড়া নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে দিয়েই মঠে পূর্নার্থীদের প্রবেশ করানো হবে। একসঙ্গে ১০ জনের বেশি মঠে প্রবেশ করতে পারবেন না। প্রত্যেক দর্শনার্থীকে করা হবে থার্মাল চেকিং।জুতো রাখার বিশেষ বন্দোবস্ত থাকবে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মঠ খোলা থাকবে সকাল ৯ টা থেকে ১১টা ও বিকেল ৪টা থেকে ৬টা পর্যন্ত। মন্দিরের সামনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই প্রসাদ বিতরণের ব্যবস্থা হতে পারে।

অন্যদিকে, দক্ষিণশ্বের মন্দিরের সম্পাদক কুশল চৌধুরী জানান, সরকারি স্তরে আলোচনা করে মন্দির খোলার সিদ্ধান্ত নেবেন তাঁরা।১৫ জুনের পর বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে মন্দির খোলার ব্যাপারে। পাশপাশি তারকেশ্বর মন্দিরও এখন খোলা হচ্ছে না বলেই জানা গিয়েছে ।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প