ডিএ মামলায় বড় ধাক্কা রাজ্যের। খারিজ হয়ে গেল রাজ্যের রিভিউ পিটিশন। আদালতের নির্দেশ, রাজ্য সরকারি কর্মীদের দিতে হবে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা। মাস কয়েক আগেই ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল স্যাট। কিন্তু তা সত্বেও রাজ্য সরকারের তরফে কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

স্যাট তাদের নির্দেশিকায় বলেছিল যাতে মূল্য সূচক মেনে রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ দেওয়া হয়। আর এই ডিএ দেওয়ার জন্য যা যা প্রক্রিয়া হয়, সেসব সম্পন্ন করতে বলা হয়েছিল তিন মাসের মধ্যে। কিন্তু তিন মাস কেটে গেলেও আশার আলো দেখেনি রাজ্যের সরকারি কর্মীরা।

তিন মাস কেটে যাওয়ার পর এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। তাঁদের দাবি, স্যাটের নির্দেশ অমান্য করে আদালত অবমাননা করেছে রাজ্য সরকার। রাক্য সরকার এই মামলায় একটি রিভিউ পিটিশন দাখিল করেছিল। বুধবার হাইকোর্টে সেই মামলারই শুনানি ছিল।

আর এই মামলায় রাজ্য সরকারের দাবি ছিল যে করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে যেন পুরো বিষয়টা বিচার করা হয়। কিন্তু, হাইকোর্ট সেকথা মামতে নারাজ। করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই রাজ্য সরকারি কর্মীদের প্রাপ্য দেওয়ার কথা জানিয়েছে আদালত।

কোভিড পরিস্থিতি বিচার্য নয়, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ডিএ দিতেই হবে, বুধবার স্পষ্ট জানিয়ে দিল স্যাট। স্যাটের বিচারপতি রঞ্জিতকুমার বাগ ও প্রশাসনিক সদস্য সুবেশকুমার দাস এই রায় দেন।

ষষ্ঠ বেতন কমিশন চালু হলেও বকেয়া ডিএ দেওয়া হবে না বলে রাজ্যের পক্ষে ঘোষণা করা হয়েছিল। করোনা পরিস্থিতির জন্য আগামী দেড় বছর কেন্দ্র-ও কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা বাড়াবে না বলে জানিয়েছে। তবে গত ১ জানুয়ারিতেই কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ৪ শতাংশ ডিএ ঘোষণা হয়। কেন্দ্রের ওই ডিএ বৃদ্ধির ফলে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা ২১ শতাংশে পৌঁছয় বলে দাবি বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠনের।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ