ফাইল ছবি

কলকাতা: ডিএ সংক্রান্ত রাজ্য সরকারের সাম্প্রতিক আবেদনের শুনানি শেষ কলকাতা হাইকোর্টে। বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন ও বিচারপতি শেখর ববি শরাফের ডিভিশন বেঞ্চ পরে এর রায় ঘোষণা করবে। মামলাকারী সরকারি কর্মীরা ডিএ মামলা ট্রাইব্যুনালে নতুন করে বিচার করার আবেদনই করেননি।

ট্রাইব্যুনালে মামলাটি ফেরত পাঠানো যুক্তিসম্মত কি না, সেই প্রশ্নে রাজ্য সরকার হাইকোর্টে কোনও বক্তব্য পেশ করার সুযোগই পায়নি। তৃতীয়ত, আইনি যুক্তি অনুযায়ী এমন নির্দেশ (ট্রাইব্যুনালকে বিষয়টির পুনর্বিচারের) হাইকোর্ট দিতে পারে না। পুনর্বিচার করার আবেদনে রাজ্য সরকার মূলত এমনই সওয়াল খাড়া করেছে। এমনটাই বাংলা এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

যদিও মামলার শুরুতেই ট্রাইব্যুনাল রায়ে জানিয়ে ছিল, ডিএ সরকারি কর্মীদের অধিকার নয়। যদিও হাইকোর্টে শুনানি শেষ আদাল্পত জানিয়ে দেয় যে। ডিএ প্রাপ্তি কর্মীদের অধিকার। সেইসঙ্গে যে দু’টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ট্রাইব্যুনাল বিবেচনা করেনি, সেগুলি বিচারের নির্দেশ দেয়। সেই দু’টি বিষয় হল— ১) কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীদের সমহারে মহার্ঘ ভাতা পাওয়ার জন্য রাজ্য সরকারি কর্মীদের দাবি ন্যায়সঙ্গত কি না। ২) নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বঙ্গভবন ও চেন্নাইয়ের ইউথ হস্টেলে কর্মরত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মীরা এ রাজ্যে কর্মরতদের তুলনায় বেশি মহার্ঘ ভাতা পান। এই বৈষম্য ন্যায়সঙ্গত কি না?

এরপরেই ট্রাইব্যুনালে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি শুরু হয়। গত ২৪ জানুয়ার শেষ শুনানি হওয়ার কথা ছিল। হাইকোর্টের নির্দেশ মোতাবেক সেদিনই এই সংক্রান্ত মামলার রায় ঘোষণা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, রাজ্য সরকার তার আগেই হাইকোর্টের নির্দেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন করে। সেই সংক্রান্ত মামলার শুনানি চলছিল। সম্প্রতি সেই মামলার শুনানি শেষ হল কলকাতা হাইকোর্টে। এখন দেখার আদালত এই প্রসঙ্গে কি নির্দেশ জানায়।