নয়াদিল্লি: আফ্রিকার কুখ্যাত ব্লাড ডায়মন্ড নিয়ে সাড়া জাগানো হলিউডি ছবি হয়ে গিয়েছে৷ লিওনার্দো অভিনীত ‘ব্লাড ডায়মন্ড’ নামের সেই ছবি যাঁরা দেখেছেন তাঁরা জানেন এই হীরের নাম কেন ব্লাড ডায়মন্ড? সেই কুখ্যাত হীরের দিকেই এবার হাত বাড়িয়েছে দাউদ ইব্রাহিম৷এমনটাই খবর গোয়েন্দা সূত্রে৷

রিয়েল এস্টেট, কালো টাকা অবৈধকরণের পর দাউদ ইব্রাহিমের নতুন ব্যবসা আফ্রিকার হীরের কালোবাজারি। এমনই দাবি করেছে একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম। বলা হয়েছে, সম্প্রতি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের নির্দেশে দাউদের ব্যবসায়িক বিষয়গুলি নতুন করে খতিয়ে দেখছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এবং তা করতে গিয়েই গোয়েন্দাদের হাতে এই নতুন তথ্য এসেছে৷

আরও পড়তে ক্লিক করুন:

১.দাউদ ইস্যু: প্রাক্তন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিবের বয়ান নেবে পুলিশ

২.অপারেশন দাউদ বানচালের পিছনে কারা? তদন্তে মহারাষ্ট্র সরকার

৩.‘দাউদে করাচিতে দেখেছি’, বললেন পাক সাংবাদিক

৪.দাউদ পাকিস্তানেই! ফাঁস করলেন তার স্ত্রী

৫.দাউদ পাকিস্তানে নেই: বাসিত

হাতে আসা তথ্য থেকে গোয়েন্দারা নিশ্চিত, দুবাইয়ের পাশাপাশি ব্যবসা বাড়ানোর জন্য মোজাম্বিক, অ্যাঙ্গোলা, রোয়ান্ডার মতো আফ্রিকান দেশগুলির দিকেও ঝুঁকছে মুম্বই বিস্ফোরণের মাস্টার মাইন্ড৷গোয়েন্দারা আরও জানতে পেরেছেন, আল-নূর ডায়মন্ড নামে দাউদের কম্পানি জ়িম্বাবোয়ে এবং কেনিয়ার মতো দেশগুলি মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করে। ৫ থেকে ১০ লাখ মার্কিন ডলার মূল্যের হীরে দুবাইতে পাচার করা হয়। এই হীরে আফ্রিকা থেকে নিয়ে আসা ব্যক্তি বা সংস্থাকে কমিশন হিসাবে ১০ হাজার মার্কিন ডলার দেওয়া হয়। ডি কোম্পানির এই হীরে ব্যবসার সঙ্গে ভারতীয় আন্ডারওয়ার্ল্ডের যোগসূত্র বের করার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা৷

সিয়েরা লিয়ন সহ মোজাম্বিক, অ্যাঙ্গোলা, রোয়ান্ডার মতো আফ্রিকার দেশগুলিতেও বিশ্বের বহু মূল্যবান হীরে বা ডায়মন্ডের খনি রয়েছে। আইনত এই দেশগুলিতে হীরে তোলা নিষিদ্ধ৷ তার কারণ এই দেশগুলিতে হীরেকে ঘিরেই রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধে বহু মানুষের প্রাণ যায় এবং অনেকেই পঙ্গু হয়ে যান। তারপর থেকে একে ব্লাড ডায়মন্ড বলা হয়। নিষিদ্ধ হলেও অ্যামেরিকা সহ বহু দেশেই ব্লাড ডায়মন্ডের কালোবাজারি রয়েছে।