ক্যানবেরা : ঝড়ে কাবু অস্ট্রেলিয়া। তাও কোনও সাধারণ ঝড় নয়। এক্কেবারে ট্রপিক্যাল সাইক্লোন আছড়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিম সমুদ্র তটে। ঝড়ের জেরে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ওই অঞ্চলের প্রায় সমস্ত বাড়িই। বিদ্যুৎ পরিষেবা সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন বাড়ির সংখ্যা প্রায় ১০হাজার বলে জানা গিয়েছে।

এই সাইক্লোনের নাম সেরোজা। জানা গিয়েছে এটি ল্যান্ডফল করে পার্থের ৫০০ কিলোমিটার উত্তরে। এটি ক্যাটাগরি থ্রি টাইপের ঝড় বলে জানানো হয়। রবিবার রাতে এই ঝড় তান্ডব চালায় কালবাড়ি নামক অঞ্চলে। সেখানকার ৭০ শতাংশ বাড়িই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এই ঝড়ে। এমনটাই জানা গিয়েছে খবরে।

পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার ইমারজেন্সি সার্ভিস কমিশনার ডারেন কেম জানিয়েছেন, ‘৪০ শতাংশ ক্ষতি গুরুতর। তবে কোনও হতাহতের খবর নেই। পুরোদমে শুরু হয়েছে পুনরুদ্ধারের।কাজ।’ এখনও সেখানে ৩১হাজার ৫০০ টি বাড়ি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে রয়েছে। তা ঠিক করতে বেশ কিছুদিন সময় লাগবে বলে জানা গিয়েছে। পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে এমন ধরনের ট্রপিক্যাল সাইক্লোন সাধারণত হয় না।

প্রসঙ্গত, গত বছর মঙ্গা নামে একটি ঝড় হানা দিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া উপকূলে। পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় আঘাত হেনেছিল মারাত্মক ওই ঝড়। এতে প্রায় এক হাজার কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বাড়িঘরের ছাদ উড়ে যাওয়ার পাশাপাশি বহু গাছ উপড়ে যায়। ঝড়ের পর ৬০ হাজারের বেশি বাড়ি বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছিল। এসব বাড়ির বেশিরভাগই পার্থ শহরের ছিল। দশকের মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক ঝড়ের প্রস্তুতি নিতে বাসিন্দাদের আগেই সতর্ক করেছিলেন সেখানকার সরকার। তাই মৃত্যু এড়ানো সম্ভব হয়েছিল সেবারেও।

ওই সময়ে পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় ধূলো ঝড়, বৃষ্টি এবং উপকূলীয় এলাকায় বিশালাকার ঢেউ নিয়ে মঙ্গা আছড়ে পড়েছিল। ঝড়টি পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্যের দক্ষিণ অংশের অর্ধেক এলাকা জুড়ে তাণ্ডব চালিয়েছিল। ওই এলাকার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৩২ কিলোমিটার বেগে বয়ে গিয়েছিল ওই ঝড়।

এদিকে ফিলিপিন্সে সোমবার টাইফুন আছড়ে পরে। ১১০ কিলোমিটার বেগে আছড়ে পড়ে ওই ঝড়। এর জন্য আগেই এক লক্ষ মানুষকে ওই এলাকা থেকে অন্য স্থানে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। তার জেরেই বড় দুর্ঘটনা এড়ানো গিয়েছে বলে জানিয়েছে সেখানকার সরকার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.