নয়াদিল্লি: ফণীর রেশ কাটতে না কাটতেই আসছে ভয়াবহ সাইক্লোন Vayu. তবে এই সাইক্লোন আছড়ে পড়তে চলেছে গুজরাতের উপকূলীয় এলাকা এবং মহারাষ্ট্রের কিছু এলাকায়৷ ইতিমধ্যেই স্বারষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে উচ্চস্তরীয় বৈঠক করেন৷ এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আইএমডি এবং এমএইচএ-র সিনিয়র আধিকারিকরাও৷

এমএইচএ-র একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাজ্য সরকারের সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক যোগাযোগ রাখছে৷ যোগাযোগ রাখা হয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির সঙ্গেও৷ ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স ২৬ দল প্রস্তুত রেখেছে৷ বোট, গাছ কাটার ব্যবস্থা, টেলিকম পরিষেবাসহ আরও বেশ কিছু দিকে নজর রেখেছে৷

ফাইল ছবি৷

প্রসঙ্গত, ১৩ জুন ঘন্টায় ১২০ কিলোমিটার বেগে গুজরাতের পোরবন্দর এবং মাহুওয়াতে এটি আছড়ে পড়বে বলে জানা গিয়েছে৷ বৃহস্পতিবার গুজরাতের উপকূলে এর ভয়ঙ্কর প্রভাব পড়তে চলেছে বলে সূত্রের খবর৷ লাক্ষাদ্বীপ উপকূলে নিম্নচার গভীর৷ আগামী ২৪ ঘন্টায় তা শক্তিবৃদ্ধি করবে বলেও জানা যাচ্ছে৷

সূত্রের খবর, Vayu-র প্রভাবে গুজরাতের বিভিন্ন জায়গায় ব্যাপক ঝড়বৃষ্টি হবে৷ ইতিমধ্যেই এনডিআরএফ আধিকারিক উপকূলীয় এলাকায় মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ মঙ্গলবার থেকেই কচ্ছ এবং সৌরাষ্ট্রের উপকূলীয় এলাকায় এই বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হবে পরিকল্পনা করা হয়েছে৷ পাশাপাশি নৌসেনা, কোস্ট গার্ড, সেনাকেও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে৷

ইন্ডিয়ান মেটেরিওলজিক্যাল ডিপার্টমেন্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উত্তরের দিকে ক্রমশ এগিয়ে এই Vayu পোরবন্দর এবং মাহুওয়ার মধ্য দিয়ে গুজরাত উপকূল অতিক্রম করবে এবং ১৩ জুন ঘন্টায় ১৩৫ কিলোমিটার বেগে দিউ এলাকাসহ আশেপাশে আছড়ে পড়বে এই সাইক্লোন৷ বুধবার অর্থাৎ ১২ জুন এই সাইক্লোন তার শক্তিবৃদ্ধি করবে আরও এবং আরব সাগরের উত্তর-পূর্ব সংলগ্ন এলাকা এবং পূর্ব-মধ্যে বায়ুর গতিবেগ থাকবে ঘন্টায় ১৩৫ কিলোমিটার৷

ইতিমধ্যেই মৎস্যজীবীদের দক্ষিণপর্ব আরব সাগর, লাক্ষাদ্বীপ এলাকা না যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ তালিকায় রয়েছে কেরল এবং কর্ণাকের উপকূলীয় এলাকাও৷