মুম্বইঃ একদিকে কোভিডের দ্বিতীয় ওয়েভে সারা দেশের পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক চেহারা ধারণ করেছে, অপরদিকে সাইক্লোন তাউকতের (Tauktae) দাপটে মহারাষ্ট্র ও গুজরাতের অবস্থা দেশবাসীর কাছে একটি চিন্তার বিষয় হয়ে উঠেছে। তাউকতের দাপটে এই দুই রাজ্যে ইতিমধ্যেই অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া খুললেই সেই ক্ষয়ক্ষতির ছবি চোখে পড়ছে। এই সাইক্লোনের দাপটের প্রভাব দেশের অন্যতম ঐতিহ্যশালী ক্রিকেট স্টেডিয়াম মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়েতেও(Wankhede Stadium) পড়েছে। আরব সাগরের ধারে চার্চগেটে অবস্থিত এই স্টেডিয়ামের বিখ্যাত নর্থ স্ট্যান্ডের দিকের সাইটস্ক্রিনটি এই ঝড়ের ধাক্কায় ভেঙে পড়েছে।

গত মাসে ওয়াংখেড়েতে স্থগিত হওয়ার আগে চতুর্দশ সংস্করণের আইপিএলের বেশ কয়েকটি ম্যাচ অনুষ্টিত হয়েছিল এবং সারা স্টেডিয়ামে চার-ছয়ের শব্দ ধ্বনিত হচ্ছিল। আর এখন সেখানেই শুধু বিধ্বংসী ঝোড়ো হাওয়ার শব্দ শোনা যাচ্ছে। এই তুমুল ঝোড়ো হাওয়ার দাপটেই স্টেডিয়ামের নর্থ স্ট্যান্ডের দিকের ১৬ ফুটের সাইটস্ক্রিনটি ভেঙে মাটিতে পড়ে গিয়েছে। আজ সকাল থেকেই বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে সেই ছবি।

মুম্বই ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের এক কর্তা এই বিষয়ে টাইমস অফ ইন্ডিয়া-কে বলেন, ‘আজকের ঝোড়ো যাওয়ার প্রভাবে ওয়ানখেড়ের বিখ্যাত নর্থ স্ট্যান্ডের দিকের সাইটস্ক্রিন ভেঙে পড়েছে। ২০১১ সালে বিশ্বকাপের সময়েও এটি ভেঙে পড়েছিল। এটি কোনও বড় বিষয় নয়। আমরা দড়ি-সহ কিছু জিনিস ব্যবহার এটিকে আবার নিজের স্থানে বসিয়ে দেব’।

শুধুমাত্র ওয়ানখেড়েই নয়, তাউকতের দাপটে গত কয়েকদিন ধরে মুম্বইতে যে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে তাঁর জন্য মেরিন ড্রাইভে অবস্থিত বিভিন্ন জিমখানাও প্লাবিত হয়েছে। তেমনই একটি জিমখানা হল বিখ্যাত ক্যাথলিক জিমখানা(Catholic Gymkhana)। এই ক্যাথলিক জিমখানাকে বম্বে মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন ৩০ মার্চ থেকে কোভিড কেয়ার সেন্টারে পরিণত করেছে।

ক্যাথলিক জিমখানার অন্দরে জল ঢুকে যাওয়া প্রসঙ্গে সেখানকার জেনারেল সেক্রেটারি নরবার্ট পেরেইরা বলেন, ‘আমি গার্ডের সাথে কথা বলেছি। একতলার হলে জল ঢুকেছে। তাই পাঁচজন রোগীকে একতলা থেকে দোতলায় পাঠানো হয়েছে’। সাইক্লোন তাউকতের দাপটে মুম্বইয়ের একাধিক ছোট-বড় বাড়ি, দোকান ভেঙে গিয়েছে। আহত হয়েছেন অনেক মানুষ। বিভিন্ন তারকারা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে মানুষদের কাছে অনুরোধ করছেন বাড়ির বাইরে না যাওয়ার জন্য।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.