চেন্নাই: মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই প্রবল বেগে আছড়ে পড়বে ঝড়। ঝড়ের গতিবেগ প্রাথমিকভাভে ১২০ থেকে ১৩০ কিমি প্রতি ঘণ্টা থাকলেও, তা পৌঁছে যেতে পারে ১৪৫ কিমিতে।

ইতিমধ্যেই সবরকমের সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। বহু জায়গা থেকে মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে যুদ্ধজাহাজ।

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত প্রবল বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা। চেন্নাইয়ের আস্যার নদীতে জলস্তর বেড়ে যাওয়ার সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়েছে। নদীর উপকূলবর্তী অঞ্চলে বসবাসকারীদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ২০০০ লোককে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে আতঙ্কিত না হওয়ার কথা জানিয়েছে প্রশাসন।

তামিলনাড়ুর বাস পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যারা যুক্ত তাদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। কেন্দ্র থেকে সবরকমের সাহায্যের বার্তা দেওয়া হয়েছে।

পুরো পরিস্থিতির উপরম নজরদারি চালাচ্ছে ভারতীয় নৌসেনা। তামিলনাড়ু ও পুদুচেরি প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে নৌবাহিনী। একাধিক যুদ্ধজাহাজ ও এয়ারক্রাফট তৈরি করা রাখা হয়েছে।

তামিলনাড়ু, পুডুচেরি এবং অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কতার কারণে দক্ষিণ রেল বেশ কয়েকটি ট্রেন বাতিল করেছে। রেলওয়ের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২৫ নভেম্বর ২৪ টি ট্রেন সম্পূর্ণ বাতিল থাকছে। এছাড়া কিছু ট্রেন আংশিক ভাবে চলবে।

রেল জানিয়েছে, পুরোপুরি বাতিল ট্রেনগুলির টিকিটের যাত্রীদের তাঁদের টাকা ফিরিয়ে দেওয়া হবে। একইভাবে, আংশিক বাতিল ট্রেনগুলিতে টিকিট বুকিংয়ের অঙ্ক ফেরত দেওয়া হবে।

দক্ষিণের এই দুই রাজ্যের ঘূর্ণিঝড়ের পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে মঙ্গলবার দুপুরে তামিলনাড়ু ও পুদুচেরির মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এছাড়াও কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সমস্ত সম্ভাব্য সহায়তার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।

আইএমডি জানিয়ে রেখেছে, আগামীকাল সন্ধ্যায় দক্ষিণের উপকূলবর্তী রাজ্য গুলিতে ঘূর্ণিঝড় ‘নিভারের’ গতিবেগ তীব্র থেকে তীব্রতর হতে পারে। সঙ্গে সঙ্গী হতে পারে প্রবল বৃষ্টি।

১৪৪ ধারা জারি করা হচ্ছে পুদুচেরিতে। এই সময়ে সমস্ত দোকান বন্ধ থাকবে। তবে দুধের দোকান, পেট্রোল পাম্প খোলার অনুমতি রয়েছে।

বাতিল করা হয়েছে একাধিক বিমানও। বুধবারের ৪৯ টি বিমান বাতিল করা হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।