নয়াদিল্লি: বৈশাখের শেষবেলায় স্বস্তির নিঃশ্বাস। গরমে হাস ফাঁস অবস্থা থেকে মিলেছে রেহাই। নিম্মচাপের জেরে একধাক্কায় অনেকটাই নেমে গিয়েছে তাপমাত্রার পারদ। মুষলধারে বৃষ্টি চলবে আগামী আরও চার পাঁচদিন।

বুধবার আইএমডি-এর (IMD) তরফে জানানো হয়েছে যে, নিম্নচাপের কারণে আগামী ১৪ মে থেকে ১৬ মে’র মধ্যে আরব সাগরের উপর একটি ঘূর্ণিঝড় তৈরি হতে পারে। যার জেরে উত্তর পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলিতে আগামী চার পাঁচদিন প্রবল ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করেছে আবহাওয়া দফতর।

আইএমডি(IMD) জানিয়েছে যে,আগামী ১৪ মে সকালের মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব আরব সাগরের উপর দিয়ে একটি নিম্নচাপ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি দক্ষিণ-পূর্ব আরব সাগর এবং সংলগ্ন লাক্ষাদ্বীপ অঞ্চল পেরিয়ে উত্তর-পশ্চিমে সরে যাওয়ায় আশেপাশের নিম্নচাপ অঞ্চলকে আরও তীব্র করার সম্ভাবনা রয়েছে। ১৫ থেকে ১৬ মে’র মধ্যে এটি পূর্ব-মধ্য আরব সাগরে ঘূর্ণিঝড়টি তীব্র হয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।

আরব সাগরে (Arabian Sea) সৃষ্টি হওয়া এই নিম্নচাপের কারণে ১৪ থেকে ১৫ মে কেরল ও লাক্ষাদীপ জুড়ে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে এবং তামিলনাড়ু ও কর্ণাটককে ১৫ মে পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ।

এদিকে আরবে সাগরের উপর নিম্নচাপ তৈরি হওয়ায় তা ক্রমশ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে চলেছে। যারফলে আগামী ১৪ থেকে ১৬ মে পর্যন্ত মৎস্যজীবিদের সমুদ্রে যেতে মানা করেছে হাওয়া অফিস। এছাড়াও কেরলের উপকূল বরাবর এবং দক্ষিণ-পূর্ব আরব সাগর, মালদ্বীপ, কমোরিন এবং লাক্ষাদ্বীপ অঞ্চলে এখন না যাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। এছাড়াও কর্ণাটকের উপকূলীয় অঞ্চল ছাড়াও মহারাষ্ট্র, গোয়ায় ১২মে’র মধ্যে মৎস্যজীবিদের সমুদ্র থেকে ফিরে আসার জন্য বলা হয়েছে।

অন্যদিকে, আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, পাঞ্জাব থেকে সিকিম পর্যন্ত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে৷ হরিয়ানা, বিহার, উত্তরপ্রদেশ এবং উত্তরবঙ্গের উপর দিয়েই এই অক্ষরেখা চলে গিয়েছে৷ এর প্রভাবে বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প ঢুকছে৷ যার জেরে আগামী চার পাঁচ দিন পূর্ব ও উত্তর পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে ঝড় বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করেছে আবহাওয়া দফতর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.