সিডনি: বাংলায় তাণ্ডব চালিয়েছে বিধ্বংসী সুপার সাইক্লোন আমফান। কয়েকদিন কেটে গেলেও এখনও সেই রেশ রয়ে গিয়েছে। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের সর্বত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে ধ্বংসস্তুপ। কত মানুষ হাহাকার অবস্থায় রয়েছে। গ্রামের পর গ্রাম এখনও জলের তলায়। ভয়ঙ্কর ঝড়ের রূপ দেখেছে বাংলার মানুষ। এবার সেই আতঙ্ক অষ্ট্রেলিয়ার উপকূলে। সে দেশের উপকূলে ঘন্টায় ১৩০ কিমি বেগে আছড়ে পড়তে চলেছে সাইক্লোন Mangga। ইতিমধ্যে সে দেশে ব্যাপক ঝড়ের তান্ডব শুরু হয়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

জানা যাচ্ছে, অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিম উপকূলে আঘাত হানবে এই সুপার সাইক্লোন। যার ফলে দেশের উপকূল অঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষ বিপদের মুখে বলে জানা যাচ্ছে। যদিও যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বহু মানুষকে উপকূল এলাকা থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বিপদের আশঙ্কায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে সমস্ত বিদ্যুৎ সংযোগ। বেসওয়াটার, বাসেনডিন, অ্যাশফিল্ড শহরের পূর্বাঞ্চলে ব্যাপক ক্ষতির হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

গত ১০ বছরের মধ্যে সবথেকে ভয়াবক এই বিধ্বংসী ঝড় হিসাবে বিবেচনা করছে স্থানীয় আবহাওয়া দফতর। যে কোনও পরিস্থিতির জন্যে তৈরি রাখা হয়েছে দমকল, বিপর্যয় মোকবিলা বাহিনী। স্থানীয় প্রশাসনও সজাগ।

স্থানীয় প্রশাসন সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, এটি একটি সুপার সাইক্লোন। প্রবল গতিতে হাওয়া বইবে। মনে করা হচ্ছে, ঘন্টায় ১৩০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। পরিস্থিতি অনুযায়ী তা আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা আবহাওয়াবিদদের। সঙ্গে প্রবল বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। সেইসঙ্গে জলোচ্ছ্বাসের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে বিধ্বংসী এই ঝড় অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে তাণ্ডব শুরু করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।