ভুবনেশ্বর: দুরন্ত গতিতে এগিয়ে এসেছিল ফণী। প্রায় ২০০ কিলোমিটার গতিবেগে আছড়ে পড়েছিল ওড়িশার উপকূলে। গত ৩ মে’র সেই ঝড়ে কয়েক’শ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

ওড়িশার নগরোন্নয়ন দফতরের তরফ থেকে হিসেব দিয়ে বলা হয়েছে যে, ৫২৫ কোটি টাকার সম্পত্তির ক্ষতি হয়েছে। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ২৯১ কিলোমিটার নর্দমা, ৭৫০ কোটি কিলোমিটার রাস্তা ও ২৬৭টি কালভার্ট।

এছাড়াও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একাধিক পার্ক, খেলার মাঠ, কমিউনিটি সেন্টার, টাউন হল সহ একাধিক জায়গা। বুধবার এক সাংবাদিক বৈঠকে এই তথ্য জানিয়েছেন, ওড়িশার নগরোন্নয় মন্ত্রী জি মাথিভাথানন। ফণীর জেরে অন্তত ২০টি শহরে জল সরবরাহ ব্যহত হয়েছে। সরকারি প্রকল্প ‘আহার যোজনা’র মূল কেন্দ্র ও ২৭টি সেন্টার প্রায় বিধ্বস্ত। নিভে গিয়েছে ২১০০০ স্ট্রিট লাইট।

শুধুমাত্র ওড়িশাতেই মৃতের সংখ্যা ছুঁয়েছে ৬৪। পুরীইতেই ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

পূর্ব সতর্কতা থাকা সত্বেও ওড়িশাকে একেবারে ধুলিস্যাৎ করে দিয়েছে ঘূর্ণীঝড় ফণী। প্রচুর ঘর-বাড়ি গাছপালা, কার্যত নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। দামি দামি হোটেলের এখন কঙ্কালসার চেহারা। এমনকি এয়ারপোর্টেও ধ্বংসলীলা চালিয়েছে ফণী।

বিধ্বংসী ঘূণিঝড়ের প্রভাবে ওডিশার বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ও টেলিকম নেটওয়ার্ক প্রায় বিপর্যস্ত হয়ে গিয়েছে। বহু জায়গাতেই বিদ্যুৎ সংযোগ ফেরানো দ্রুত সম্ভব হয়নি এখনও। বিশেষত ভুবনেশ্বর ও কটকের বিস্তীর্ণ অংশ ডুবে যায় অন্ধকারে।

এদিকে, ঘূর্ণিঝড় ফণীর কারণে ৩৮ কোটির ক্ষতি হয় বাংলাদেশেও।