সৌপ্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়, হাওড়া: উপকূলে এখন দাপাচ্ছে আমফান। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, এখন সাইক্লোনের সামনের দেওয়ালের মেঘ পুরোটাই প্রবেশ করেছে উপকূলে। সাইক্লোনের চোখটি রয়েছে উপকূলের সামনেই। আর এটাই যে কোনও সাইক্লোনের আসল অংশ হয়। সেটাই এখন রয়েছে দীঘা উপকূল থেকে হাতিয়া দ্বীপের মাঝের অংশে। সেই চোখ যা এক সময় মধ্য বঙ্গপসাগরে সাগরে হারিয়ে যেতে বসেছিল।

ফলে ঝড়ের গতি কমে যায়। অনেক পরিবেশবিদ বলেছিলেন যে দীর্ঘ পথ অতিক্রমের জেরে এই চোখ হারিয়ে যেতে বসেছে। কিন্তু তা হয়নি। ঝড় সমান গতিবেগে সমতলে প্রবেশ করেছে। হাওয়া অফিস অবশ্য প্রথম থেকেই জানিয়ে এসেছিল ঝড়ের গতিতে কোনও হেরফের হবে না। হয়েছেও তাই। কলকাতার উপর দিয়ে ইতিমধ্যেই গিয়েছে ১০৫ কিলোমিটার গতির একটি ঝড়। উপড়ে দিয়েছে খান ত্রিশটি গাছ।

বিশেষজ্ঞরা ব্যাখ্যা, মানুষের চোখে সমস্যা হলে হাঁটাচলার গতি শ্লথ হয়। ঠিক সেটাই হচ্ছিল এই সুপার সাইক্লোনের ক্ষেত্রেও। ফলে অল্প সময়ের জন্য ঝড়ের গতি কমেছিল। তাঁরা মনে করছেন, যাত্রাপথেই চোখের ব্যারাম সারিয়েছে সে। এখন সে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে উপকূলে।

এদিকে, নবান্নর কন্ট্রোল রুম থেকে সমগ্র পরিস্থিতির উপর নজর রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। আমফান-এর মোকাবিলায় মঙ্গলবারই নবান্নে চালু হয়েছে কন্ট্রোল রুম। ঝড়ের জেরে যে কোনও রকম বিপদে পড়লে ফোন করে জানাতে হবে এই কন্ট্রোল রুমে। সেখানে ৬০টি ফোন রয়েছে। ২৪ ঘণ্টা কাজ করবে এই কন্ট্রোল রুম।

ঘূর্ণিঝড়ের জেরে কোথাও আটকে পড়লে, বা যে কোনও বিপদে ফোন করা যাবে এই নম্বরগুলিতে। ফোন করে সমস্যার কথা জানালেন প্রশাসনের তরফে সাহায্য পৌঁছে দেবেন আধিকারিকরা। বুধবার সকালে এজেসি বসু রোডে পুলিশ ট্রেনিং স্কুলে (পিটিএস) জওয়ানদের বিক্ষোভ সামলে নবান্নে চলে যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে সেন্ট্রাল কন্ট্রোল রুম থেকে নজরদারি চালাচ্ছেন তিনি। রাতেও নবান্নে থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী। আবহাওয়া দফতর আগেই জানিয়েছে, কলকাতায় ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটারে পৌঁছতে পারে। কোথাও কোথাও ২০০ মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টির আশঙ্কা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।