কলকাতা: ঘূর্ণিঝড় আমফানে রাজ্যে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা৷ শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাংলায় মোট ৮৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৩৬ হাজার মানুষ৷ ঝড়ের তাণ্ডবে এখনও পর্যন্ত সাড়ে ১০ লক্ষ বাড়ির ক্ষতি হয়েছে বলে খবর৷

সূত্রে খবর, ,বাংলায় যে ৮৬ জনের মৃত্যু হয়েছে,এদের মধ্যে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে ২২ জনের৷ এছাড়া গাছ পড়ে ২৭ জন, দেওয়াল চাপা পড়ে ২১ জন ও ছাদ ভেঙে পড়ে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ পাশাপাশি, জমা জলে ডুবে ৩ জন, সাপের কামড়ে একজন, ঘর ভেঙে ২ জন এবং আতঙ্কে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। ল্যাম্পপোস্ট ভেঙে পড়ে মারা গিয়েছেন আরও ২ জন৷ শুধু কলকাতায় মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের৷

রাজ্যের তরফে পাওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রাজ্য মোট ৩৮৪টি ব্লক ও পুরসভা এলাকার ক্ষতি হয়েছে।ঝড়ের তাণ্ডবে এখনও পর্যন্ত সাড়ে ১০ লক্ষ বাড়ির ক্ষতি হয়েছে৷ ঘূর্ণিঝড় আমফানের তাণ্ডবে মোট ১ লক্ষ ৩৬ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন৷ দুর্গতদের সহায়তায় ৫ হাজার ১৩৪টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। সেখানে প্রায় ৬ লক্ষ মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন৷ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা৷

এরপর দুই মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি এবং নদীয়া৷ ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে কলকাতারও৷ প্রসঙ্গত,শুক্রবার হেলিকপ্টারে সাইক্লোন বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এরপরই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ”আমি সব ঘুরে দেখেছি। বাংলার এই কঠিন সময়ে বাংলার পাশে থাকব। বাংলা যাতে আবার দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারে, তার জন্য ভারত সরকার কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবে।”

পশ্চিমবঙ্গকে সবরকমের সাহায্যের আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, ১০০০ হাজার কোটি টাকা আর্থিক সাহায্য করা হবে। পাশাপাশি, মৃতদের পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে ২ লক্ষ টাকা করে ও আহতদের পরিবারকে ৫০,০০০ টাকা করে দেওয়া হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।