ঢাকা: ভয়ঙ্কর বুলবুল শক্তি হারালেও তাতে প্রাণ হারিয়েছেন অনেকেই। বাংলাদেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে এখন ১২ এবং পাঁচজন মৎস্যজীবী নিখোঁজ, সোমবার এমনটাই জানা গিয়েছে সরকারি সূত্রে।

ডিসাস্টার ম্যানেজমেন্ট এবং ত্রাণ সংক্রান্ত মন্ত্রী ইনামুর রহমান জানিয়েছেন, “বেশিরভাগ মানুষ অন্যত্র যেতে অস্বীকার করায় অধিকাংশ মানুষ গাছ চাপা পরে মারা গিয়েছেন।” জানা গিয়েছে, এলোপাথারি হাওয়ার সঙ্গে যুদ্ধ করতে না পেরে একটি বোট মাঝ সমুদ্রে ডুবে যায় সেই ঘটনায় একজন মৎস্যজীবী ডুবে গিয়েছেন এবং আরও পাঁচজন মৎস্যজীবী নিখোঁজ হয়েছেন।

আরও তিরিশজন মৎস্যজীবীকে উদ্ধার করা হয় বলেও জানা যায় সরকারি সূত্রে। কম-বেশি মিলিয়ে প্রায় ৬০০০ বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। তবে দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশে বড় কোন ক্ষয়ক্ষতির কথা জানা যায়নি যেখানে প্রায় হাজারের বেশি মায়ানমায়ের মানুষ শরনাথ শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন।

সোমবার একটি জাহাজ সেন্ট মারটিনের উদ্দেশে রওনা হয় যা প্রায় ১২০০ বেশি পর্যটককে উদ্ধার করেছে। যাদের মধ্যে স্থানীয় পর্যটকেরা রয়েছেন যারা বেশ কয়েকদিন থেকে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ওখানে আটকে ছিলেন, জানিয়েছেন টেকনাফ উপজেলার মুখ্য আধিকারিক সইফুল ইসলাম।

পশ্চিমবঙ্গে বুলবুলের জেরে মোট আটজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। বঙ্গোপসাগরে সাইক্লোনের সময় এপ্রিল মাস থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত থাকে। ১৯৯৯ সালে সুপার সাইক্লোন ওডিশার উপকূলকে ৩০ ঘণ্টায় তছনছ করে দিয়েছিল। যেখানে প্রায় ১০০০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।