স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: রাজ্যের দিকে ধেয়ে আসছে ফেনি৷ পারাদ্বীপ থেকে বাংলায় ঢুকছে ঘূর্ণিঝড়টি। তার প্রভাবে আগামীকাল বুধবার সন্ধেয় দীঘায় ঝড়বৃষ্টি শুরু হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর৷ মৎসজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে৷ যাঁরা গিয়েছেন তাদের ফিরে আসতে বলা হচ্ছে৷

আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই দক্ষিণ-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলার উপকূলে আছড়ে পড়তে চলেছে ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় ফণী ৷ বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র কারণে মৎস্যজীবীদের ২ মে থেকে সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। কেরল ও ওড়িশায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা করেছে আবহাওয়া দফতর৷প্রশাসনের তরফে সমস্ত রকমের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে ৷ দক্ষিণের বিস্তৃর্ণ এলাকায় রেড অ্যালার্ট জারি হয়েছে ৷ভারতীয় সেনা ও নৌ-সেনাকেও প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে ৷আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, এ রাজ্যেও প্রভাব পড়বে ফণীর ৷ বুধবার থেকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ঝড় বৃষ্টি সতর্কতা রয়েছে ৷

আবহ বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ফণী যদি ‘এক্সট্রিমলি সিভিয়ার সাইক্লোনিক স্টর্ম’-এ পরিণত হয়, তা হলে এর ধ্বংস ক্ষমতা বহু গুণ বেড়ে যাবে৷ ‘এক্সট্রিমলি সিভিয়ার সাইক্লোনিক স্টর্ম’ ক্যাটেগরি ৪ মাপের ঘর্ণিঝড়। যার গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬৬-২২০ কিলোমিটার। মৌসম ভবন দু’দিন আগেই পূর্বাভাস দিয়েছিল যে ভাবে শক্তি সঞ্চয় করতে করতে এগোচ্ছে ফণী, তাতে এক্সট্রিমলি সিভিয়ার সাইক্লোনিক স্টর্ম’-এ পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।