তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়াঃ এই মুহূর্তে বহুচর্চিত সুপার সাইক্লোন ‘আমফানে’র ব্যাপক প্রভাব পড়লো বাঁকুড়া জেলা জুড়ে। আমফানের প্রভাবে ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির কারণে জেলার উত্তর থেকে দক্ষিণ, পূর্ব থেকে পশ্চিম সর্বত্রই কম বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, গত ২৪ ঘন্টায় জেলায় মোট বৃষ্টির পরিমাণ ৫১.৪ মিলিটার। বুধবার সন্ধ্যে সাড়ে আটটার পর ৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টায় প্রবল ঝোড়ো হাওয়া বয়ে গেছে। এই ঝড় ও প্রবল বৃষ্টির কারণে কৃষি নির্ভর এই জেলায় বোরো ধান ও গ্রীষ্মকালীন সবজি চাষে ব্যাপক ক্ষতির পাশাপাশি প্রায় সর্বত্রই কম-বেশী কিছু গাছ ভেঙ্গে পড়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সকালে সোনামুখী ব্লক এলাকার গ্রাম গুলিতে গিয়ে দেখা গেল, বেশ কিছু বোরো ধানের জমি জলে ডুবে আছে। পাকা ধান বাড়িতে তোলার আগেই আমফানের দাপটে প্রায় সব শেষ হয়ে গেল বলেই মনে করছেন চাষীরা।

নিত্যানন্দপুর এলাকার জয়দেব বিশ্বাস, শ্যামল দাসরা বলেন, লকডাউনের কারণে সব্জী চাষ করেও লাভের মুখ দেখতে পাইনি। এবার আমফান এসে বোরো চাষেও যা ক্ষতি করে দিয়ে গেল তা সামলানো জটিল বলেই তারা জানিয়েছেন। একই ছবি দক্ষিণের তালডাংরা, সিমলাপাল, রাইপুর, সারেঙ্গা ব্লক এলাকাতেও।

এই এলাকার বোরো ধানের পাশাপাশি তিল জাতীয় তৈল শস্যের জমিতেও প্রচুর পরিমানে জল জমে আছে। সারেঙ্গার আগয়া গ্রামের ভাগবৎ দাশ চক্রবর্তী বলেন, লক ডাউনের কারণে এমনিতেই টানাটানির সংসার। এবার আমফানের দাপটে বোরো ধান ও তাল জাতীয় তেল শস্যেও প্রচুর ক্ষতি হলো। আগামী দিন গুলি কিভাবে কাটবে তা ভেবে পাচ্ছেননা বলে তারা জানান। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আমফানের প্রভাবে জেলায় কৃষিক্ষেত্রে সঠিক পরিমান জানা যায়নি।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও