বর্ধমানঃ  আমফানের তাণ্ডবের প্রায় চারদিন কেটে গিয়েছে। কিন্তু এখনও পরিস্থিতি স্বাভাবিক না। লন্ডভন্ড সর্বত্র। কলকাতায় দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও এখনও বহু জেলা অন্ধকারে। চারপাশে পড়ে গাছ-ল্যাম্প পোস্ট। সম্পূর্ণ ভাবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও কয়েকদিন কেটে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

আর এরই মধ্যে হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, প্রবল বৃষ্টিতে ভিজল জেলা। সোমবার মুষলধারে বিকেলে বৃষ্টি শুরু হয়। একই সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়াও বইতে শুরু করে। কেতুগ্রাম মঙ্গলকোট ভাতার গলসি সহ জেলার বেশ কিছু অংশে। আমফানের কারণে বর্ধমানে ব্যাপক পরিস্থিতি।

সেখানে প্রচুর এলাকা লন্ডভন্ড অবস্থায় রয়েছে। প্রচুর ফসল নষ্ট হয়ে গিয়েছে। কয়েকশ কোটি টাকার ক্ষতি বলে মনে করা হচ্ছে। আর এরই মধ্যে প্রবল ঝড়-বৃষ্টিতে ফের ক্ষতির আশঙ্কায় কৃষকরা। জানা যাচ্ছে, আমফানের কারণে আউসগ্রাম ভাতার মঙ্গলকোট গলসি ভাতার আউশগ্রামের বহু চাষের জমিতেই জল দাঁড়িয়ে রয়েছে।

এর উপর আজ প্রবল ভারী বর্ষণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই অবস্থায় চাষীদের মাথায় হাত। শুধু বর্ধমানেই নয়, রাজ্যের একাধিক জেলায় সোমবার সন্ধ্যায় ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টি হয়।

আবহাওয়া দফতর আগেই পূর্বাভাস দিয়েছিল, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান, কোচবিহারে ৩০-৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি হতে পারে। সেই মতোই বিকেলের আগে থেকেই বহু জায়গায় আকাশ মেঘে ঢেকে যায়। শুরু হয় ভারী বৃষ্টি। সেইসঙ্গে বাজ পড়তে থাকে একাধিক জায়গায়। লাগাতার ভারী বৃষ্টিতে নতুন করে সমস্যায় সাধারণ মানুষ।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব