স্টাফ রিপোর্টার , কলকাতা : অবাধে, নিরাপদে সাইকেল চালানোর পরিস্থিতি তৈরি হোক কলকাতায়। সাইকেল-বান্ধব হয়ে উঠুক শহর। সেইসঙ্গে ধোঁয়া, ধুলো, দূষণ থেকেও কিছুটা মুক্তি চায় ওঁরা। সেই দাবি নিয়েই ভারত জুড়ে অনলাইন পিটিশন শুরু করল ‘কলকাতা গ্রিন’।

ওঁরা জানাচ্ছে, ‘এই কথাগুলো বলার জন্য স্বাধীনতা দিবসের চেয়ে ভালো দিন আর কিই বা হতে পারে? Jhatkaa.org-র মাধ্যমে একটি অনলাইন পিটিশন শুরু হয়েছে সারা ভারত জুড়ে। কলকাতার জন্য আমাদের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন রাখা হল এই পিটিশনে। আর এই ক্যাম্পেন শুরু হল আমাদের সুনীশদার হাত ধরে। কর্মজীবনের শেষের দিকে এসে যিনি বয়সের চাকাটা অনায়াসে ঘুরিয়ে দিলেন সাইকেলের পথ ধরে।’

নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এমন অবস্থা যতদিন চলবে, ততদিন বহু মানুষ সাইকেল নিয়ে অফিস আসবেন। এই পরিস্থিতিতে পুলিশকে বলছি, তাঁরা বড় রাস্তা ছেড়ে কলকাতার ছোট ও মাঝারি রাস্তায় সাইকেল চালানো যায় কিনা, তা দেখুক। সেইমতো নোটিফিকেশন জারি করা হোক।’ তবে, কলকাতার রাস্তায় সাইকেল চলতে গিয়ে দুর্ঘটনার সংখ্যা যাতে না বাড়ে, সেই বিষয়টিও পুলিশকে বিশেষভাবে দেখতে বলেছেন তিনি।

সংক্রমণ থেকে বাঁচতে কলকাতার সাইকেলের বিক্রিও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে গিয়েছে। হিরো, বিএসএ এবং হারকিউলিস সাইকেলের পাশাপাশি টাটা, কসমিক, গোরার মতো স্থানীয় ও অপেক্ষাকৃত কম নামী সাইকেলের বিক্রিও বেড়েছে। অনেক সাইকেল ব্যাবসায়ী জানিয়েছেন, ‘করোনা সংক্রমণের আগে সাইকেলের বাজার ছিল একদম ঢিলেঢালা। প্রতি মাসেই ‘ডিগ্রোথ’। কিন্তু, লকডাউনের মাঝে সাইকেল কেনার জন্য বহু ক্রেতার থেকে হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, জাস্টডায়াল মারফত প্রচুর অনুসন্ধান পেয়েছি। সাধারণ তিন-চার হাজার টাকা বা তার বেশি দামের সাইকেলের বিক্রি প্রায় ২০০ শতাংশ বেড়েছে।’

সাইকেলের আগাম বুকিংও বেড়েছে বলে জানাচ্ছেন তাঁরা। দামি ব্র্যান্ডের সাইকেলের মধ্যে ১৫,০০০ টাকা থেকে ৩৫,০০০ টাকা দামের সাইকেলের বিক্রিও দ্বিগুণ বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে সংস্থাগুলি থেকে। শুধু অফিসযাত্রীদের মধ্যেই নয়, প্রবীণ নাগরিকদের মধ্যেও সাইকেল কেনার প্রবণতা বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।