স্টাফ রিপোর্টার , হাওড়া : আর কয়েকদিন পরেই কালীপুজো। আর কালীপুজো মানেই আলোর উৎসব। যদিও দীপাবলিতে শব্দদানবের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠতে হয় বঙ্গবাসীকে। পটকার তীব্র আওয়াজ আর ডিজে নামক দানবের দাপটে কান পাতাই দায় হয়ে ওঠে। তার পাশাপাশি বায়ুদূষণ তো রয়েইছে। করোনা পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে দীপাবলি হোক ধোঁয়া মুক্ত, দীপাবলি হোক আলোকময়। এই বার্তা নিয়েই হাওড়ায় পথে নামলেন সাইকেল আরোহীরা।

‘Bengal Can’ ও ‘হাওড়া সাইকেল আরোহী’ নামক দু’টি সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে হাওড়ার বুকে আয়োজিত হল সাইকেল উইথ লাইট প্যারেড। শনিবার সন্ধ্যায় হাওড়ার বিভিন্ন প্রান্তের প্রায় ৪০ জন সাইকেল আরোহী এই অভিনব রাইডে অংশ নেন। হাওড়ার রামরাজাতলা থেকে এই যাত্রার সূচনা হয়। কোলকাতার ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল গিয়ে আবার হাওড়ায় ফিরে আসেন আরোহীরা। হাতে কাপড়ের ফ্লেক্স আর আলো নিয়ে পথচলতি মানুষকে আলোকময় দীপাবলি পালনের বার্তা দেন এই সাইকেল প্যারেডে অংশ নেওয়া ততরুণ-তরুণীরা।

এই অভিনব উদ্যোগের অন্যতম উদ্যোক্তা শিক্ষক রাকেশ দাস বলেন,”দীপাবলিতে ধোঁয়ায় ভরে ওঠে আমাদের প্রিয় শহর। যা সত্যিই দমবন্ধকর। দীপাবলি মানে আলোর উৎসব। তাই শব্দ নয়, আলোর উৎসবে সকলে মেতে উঠুক। এই বার্তা দিতেই আমাদের এহেন আয়োজন।” তিনি আরও জানান,”এই বিশেষ ইভেন্টটি শুধু হাওড়া নয়, কোলকাতা, শিলিগুড়ি, কোচবিহার, মুর্শিদাবাদ, আসানসোল সহ বাংলার মোট ১২ টি শহরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রত্যেক শহরের সাইকেল আরোহীরা এই রাইড করছে।”

প্রসঙ্গত সাইকেলকে যতই বাইসাইকেলকে ব্রাত্য করা হোক করোনা ও তার জেরে লকডাউন দেখিয়ে দিয়েছে কতটা জরুরি সাইকেল। এখন হাওড়া ব্রিজে ধার ধরে অফিস টাইমে হাজার হাজার সাইকেলের ভিড়। শারীরিক দূরত্ব এড়াতে এবং খরচ বাঁচিয়ে এই সাইকালেই যাত্রার সঙ্গী করেছে মানুষ। পাশাপাশি ব্রাত্য হলেও সাইকেল যে পরিবেশ আর শরীরের পক্ষে কতটা উপযোগী তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। সে-ই বার্তাই সমাজের দ্বারে পৌঁছে দিতে সুমন, রাকেশ, পিয়া, মৈনাকের মতো সাইকেল আরোহীরা ছুটির দিনে সাইকেল নিয়ে বেড়িয়ে পড়েন।

ভোরের আলো ফোটার আগেই সকলে সাইকেল নিয়ে হাওড়ার রামরাজাতলায় এসে মিলিত হন। তারপর কোনোদিন গন্তব্য হয় ব্যারাকপুর বর্তির বিল আবার কোনোদিন বা ময়দানের ভিক্টোরিয়া চত্বর কিমবা ডোমজুড়ের নোনাকুন্ডু। এভাবেই সাইকেলের প্যাডেলে পা রেখে ওরা কখনো ১০০ কিমি আবার কখনও ৬০ কিমি পথ পাড়ি দেয়। এরকমই কিছু স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সচেতন যুবক-যুবতীকে নিয়ে গড়ে উঠেছে ‘হাওড়া সাইকেল আরোহী’।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.