নয়াদিল্লি :  কলেজ গ্রন্থাগারের জন্য বই কেনার ক্ষেত্রে “অনিয়ম” থাকায় শনিবার কলেজ অব ভোকেশনাল স্টাডিজস (সিভিএস) এর গভার্নিং বডি(জিবি) অবসরপ্রাপ্ত দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি এস এন ধিঙ্গরার পাঠানো তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করেছে। এই তদন্তের নোটিশের পড়ে জিবি কলেজের অধ্যক্ষ ইন্দ্রজিত ডাগার সহ বেশ কিছু জনকে শো-কজ করে। তবে এই বিষয়ের জন্য অধ্যক্ষকে ফোন করা হলে তিনি তাতে কোনও উত্তর দেননি।

একটি জাতীয় সংবাদ মাধ্যম ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছিল কলেজ অব ভোকেশনাল স্টাডিজস (সিভিএস) ১ লক্ষ টাকার ১৮০ টা বই কিনলেও তা পৌছায়নি গ্রন্থাগার পর্যন্ত। আর এই কারণে চলতি বছরের মার্চ মাসে বিচারপতি এস এন ধিঙ্গরা বই কেনার বিষয়ে “অনিয়ম” ঘটেছে বলে জানিয়েছেন। নিয়মের ঘটনায় কলেজের অধ্যক্ষের প্রত্যক্ষভাবে জড়িত না হলেও পরক্ষভাবে মদত থাকতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জিবি সদস্য জানিয়েছে, তদন্ত প্রতিবেদনটি আজ জিবি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে অন্যদের মধ্যে অ্যাকাউন্ট বিভাগের অধ্যক্ষ, গ্রন্থাগারিক ও কর্মকর্তাদের শো-কজ নোটিশ জারি করা হবে।

জিবির চেয়ারম্যান রাজন চোপড়া এই সিদ্ধান্তের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিচারপতি এস এন ধিঙ্গরার পাঠানো তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা প্রত্যেককে শো-কজের নোটিশ পাঠানোর সঙ্গে তাদের জবাব দেওয়ার জন্য ১৪ দিনের সময় দেওয়া হবে।

চোপড়া আরও উল্লখ করে বলেন, শো-কজের উত্তর পাওয়ার পর আরেকটি জিবির বৈঠক ডাকা হবে। অনেকদিন ধরে এই বিষয়ে বিচার চলার কারণে ছাত্রদের ক্ষতি হচ্ছে, এবং এবার এর একটা বিচার হওয়ার দরকার বলেও তিনি জানান।

৫ এপ্রিল কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশন (সিআইসি) গ্রান্থাগারের বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করলে সিভিএস ব্যার্থ হয়। আর এই কারণে তিরস্কারের মুখোমুখি হতে হয় সিভিএসকে। আবেদনকারী আনন্দ কুমার এই বইগুলি কেনার তারিখ, তাদের প্রবেশের নম্বর এবং অন্যান্য জিনিসের মধ্যে বিদেশী বই কেনার বিনিময় হারের বিশদ চেয়ে ২০১০ সালের মার্চ মাসে আরটিআই দায়ের করেছিলেন। আনন্দ কুমারের এই আরটিআই করার পর প্রকাশ্যে চলে আসে কলেজের গ্রান্থারের বিষয়টি ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.