আমেদাবাদ: ছুরি দিয়ে নিজের স্ত্রী’র জিভ কেটে ফেলেছে এক ব্যক্তি। আর তারপরই অজুহাত দেওয়া শুরু করল সে। তার দাবি চুম্বনের সময় নাকি আটকে গিয়েছিল জিভ, তাই কেটে ফেলতে হয়েছে।

ঘটনাটি গত ৯ অক্টোবরের। আমেদাবাদের জুহাপুরার বাসিন্দা তিনি আয়ুব মনসুরি। তিনিই এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন।

তাঁর স্ত্রী’র জিভ কেটে নেওয়ার পর থেকে স্ত্রী তসলিম কথা বলতে পারছেন না, খেতেও পারছেন না ঠিকভাবে। ৯ অক্টোবর রাতেই তাঁকে সর্দার বল্লভভাই পটেল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

পুলিশ জানিয়েছে যে জেরার সময় মনসুরি বলেছে যে, খুবই ঘনিষ্ঠ চুম্বন চলাকালীন এই ঘটনা ঘটে। তাঁর স্ত্রীর জিভ নাকি তাঁর সঙ্গে আতকে গিয়েছিল। তাই সেটা আলাদা করার জন্যই এইভাবে ছুরি দিয়ে জিভ কেটে ফেলতে হয়েছে তাঁকে। এরপরই তসলিমের জিভ থেকে প্রচণ্ড রক্তপাত শুরু হয়। তখন ভয় পেয়ে নাকি পালিয়ে যায় মনসুরি। স্ত্রী’কে ঘরে বন্ধ করে তালা দিয়ে চলে যায় সে।

তসলিমের আত্মীয় ইদ্রিশ মনসুরি জানিয়েছেন, আপাতত তরল খাবার খাচ্ছেন তসলিম। তিনি মনসুরির তৃতীয় স্ত্রী। ২০১৮-তে বিয়ের পর থেকেই নাকি তসলিমের উপর অত্যাচার করত তাঁর স্বামী।

পুলিশ আরও জানিয়েছে যে এই মনসুরির বিরুদ্ধে প্রথম স্ত্রী’র গায়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এমনকি সেই মামলা চলাকালীনই আর এক মহিলাকে বিয়ে করেছিলেন মনসুরি। সেই স্ত্রীও ছেড়ে চলে যান। এরপর বিয়ে হয় তসলিমের সঙ্গে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।