নয়াদিল্লি: নির্মলা সীতারমণ ঘোষণা করেছেন বেসরকারি ক্ষেত্রে ইপিএফে ১২ শতাংশের বদলে ১০ শতাংশ করে কাটা হবে। আগামী তিন মাস ইপিএফের ক্ষেত্রে এটা প্রযোজ্য। তবে সরকারি ক্ষেত্রে ১২ শতাংশই পিএফ কাটা হবে বলে জানিয়েছেন সীতারমণ। এখন কেন্দ্রের ঘোষণা অনুসারে পিএফ কম কাটা হলে বেসরকারি ক্ষেত্রে কর্মীরা একটু বেশি বেতন এই‌ কয় মাস হাতে পাবেন ঠিকই। এই একই সুবিধা কর্মীদের পাশাপাশি মালিকেরাও পাবেন। অর্থাৎ তাদের কর্মীদের জন্য ১২ শতাংশের বদলে ১০ শতাংশ করে অর্থ জমা দিতে হবে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই ঘোষণার ফলে বেসরকারি সংস্থার কর্মীদের জন্য ২ শতাংশ কম ইপিএফ জমা দেওয়ায় মালিকপক্ষের যে অর্থ সঞ্চয় হবে সেটা কোথায় যাবে? সেটা স্পষ্ট নয় আপাতত মালিকরা এই ছাড় পেলেও ওই ২ শতাংশ এখন অথবা পরবর্তীকালে কর্মীরা আদৌ পাবেন কিনা । আর তা যদি এখন বা পরবর্তীকালে কর্মীরা না পায় তাহলে এটাই মানে হয় ঘুরপথে কর্মীদের বেতন কমিয়ে দেওয়া হলো। কারণ কর্মীদের হয়ে মালিক পিএফ বাবদ যে অর্থ জমা দেয় সেটা আসলে সংস্থার পক্ষ থেকে কর্মী পিছু মোট খরচের অংশ বলে ধরা হয়। অর্থাৎ সেই অর্থ পিএফে জমা না পড়লে কর্মী পিছু সংস্থার খরচ কমে যাবে। তাহলে এই ব্যবস্থায় আখেরে ক্ষতি হল কর্মীদের।

এছাড়া কর্মীদের সাপেক্ষে আরেকটা দিক হল, তারা পিএফ বাবদ যে টাকা জমা করেন সেটার জন্য কর ছাড়ের ক্ষেত্রেও একটা সুবিধা পান, সেটা কমে যাবে। তাছাড়া পিএফে টাকা কম জমা হওয়ার দরুন ‌ওই কর্মীর অবসরকালীন এই সঞ্চয়ের পরিমাণটিও কমে যাবে।

মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা করেছিলেন করোনা সংকট মোকাবেলায় ২০ লক্ষ কোটি টাকার প্যাকেজ। আর বলা হয়েছিল এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা বুধবার দেবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। সেই মত তিনি বুধবার বিস্তারিতভাবে প্যাকেজের ব্যাখ্যা দেন। সেই সময়
কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বেশ কিছু ঘোষণা করেন, ক্ষুদ্র ছোট মাঝারি উদ্যোগে, এনবিএফসি, রিয়েল এস্টেট সেক্টর, বিদ্যুৎ কেন্দ্র ইত্যাদির জন্য। পাশাপাশি ঘোষণা করা হয়েছে বেসরকারি ক্ষেত্রে ইপিএফে ১২ শতাংশের বদলে ১০ শতাংশ জমা দেওয়া যাবে।

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV