নয়াদিল্লি: আনুমানিক ৮কোটি টাকার মাদক নষ্ট করল শুল্ক বিভাগ৷ এরমধ্যে রয়েছে গাঁজা ও হিরোইনের মতো ক্ষতিকারক মাদক দ্রব্য৷ শুক্রবার নিলোথিতে মাদক দ্রব্যগুলিকে নষ্ট করা হয় ৷ গত দশ বছরে বিদেশগামী বিভিন্ন পার্সেল থেকে এই মাদকদ্রব্যগুলি উদ্ধার করা হয়েছিল বলে শুল্ক বিভাগ সূত্রে খবর৷
গাঁজা, হিরোইন এবং চরস সহ সমস্ত ড্রাগসগুলিকে বিদেশের পোস্ট অফিস এবং এয়ার কার্গোতে রাখা হত৷ এক কঠিন পদ্ধতির মাধ্যমে এই সমস্ত ড্রাগস গুলির পুড়িয়ে দিল শুল্ক বিভাগ৷ নির্দিষ্ট এলাকার অধীনে হওয়া এই ঘটনাগুলির জন্য নির্দিষ্ট আদালতের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হয়েছে৷ এরপর শুনানির জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে বেশ কিছুদিন৷ এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ার ফলে কেটে গিয়েছে প্রায় এক দশক৷ অবশেষে শুক্রবার নিষ্পত্তি হয় এই মাদক মামলার৷

শুল্ক বিভাগের দেওয়া একটি বিশেষ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই সমস্ত ড্রাগসের পাশাপাশি প্রায় ২০কেজির এফিড্রিনও পুড়িয়ে দিল শুল্ক বিভাগ৷ যা সম্প্রতি উদ্ধার করে শুল্ক দফতরের আধিকারিকরা৷ জানা গিয়েছে, চোরাকারবারিরা  বিশালাকার একটি বিছানার চাদরের মধ্যে করে নিয়ে যাচ্ছিল এফিড্রিন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।