নয়াদিল্লি : কেমন লাগে আমাদের সুন্দরী পৃথিবীকে মহাকাশ থেকে ? কেমন হয় ঘোর নিকষ কালো রাতের মহাকাশ থেকে পৃথিবীর সূর্যাস্ত-সূর্যোদয়ের দৃশ্য? কেমন লাগে সুউচ্চ বরফাবৃত পর্বত দেখতে? সেই সব আগ্রহের অবসান ঘটিয়ে ছবি প্রকাশ করল নাসা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা দেখাল পৃথিবীর সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের ছবি কেমন লাগে মহাকাশ থেকে।

সে ছবি মনের আরাম, প্রাণের শান্তি। চোখ যেন পরশ পাথর খুঁজে পায়। নাসার মহাকাশচারী ভিক্টর গ্লোভার সেই সব ছবি পাঠিয়েছেন পরম যত্নে। ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন থেকে সেই ছবি তুলে পাঠানো হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অর্থাৎ নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে সেই ছবি সবার জন্য ছড়িয়ে দিয়েছেন ভিক্টর। স্বাভাবিক ভাবেই উচ্ছ্বসিত নেটিজেনরা।

নিকষ কালো অন্ধকারের বুক চিরে সোনালি আলোর রেখা ধীরে ধীরে ফুটে উঠছে। পৃথিবীর সূর্যোদয় যেন নতুন আশা, নতুন উদ্যমের গল্প বলে। বেঁচে থাকার নামই জীবন, সেই জীবনের সুর জাগায় মহাকাশের বুকে, জানায় উজ্জ্বল হয়ে ওঠার পথের দিশা। পৃথিবীর দিকচক্রবালে সূর্যের প্রথম উদয় মহাকাশ থেকে দেখার সৌভাগ্য সহজে সবার হয় না।

নাসা সেই সুযোগ সাধারণ মানুষের জন্য নিয়ে এসেছে। ছবি দুটি পোস্ট করে ভিক্টর জানিয়েছেন মহাকাশে বসে পৃথিবীর সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখার আনন্দই আলাদা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।