নয়াদিল্লি: এক বছর হয়ে গেল ভারতে দাপট দেখাচ্ছে করোনা। এই মারণ ভাইরাসের প্রথম ঢেউয়ের ঠেলা সামলে শামুকের গতিতে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছিল ভারতীয় অর্থনীতি। কিন্তু করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সব ওলটপালট করে দিয়েছে। ফের চোখে সর্ষেফুল দেখছে দেশের অর্থনীতির গ্রাফ।

করোনা সংক্রমণ এড়াতে এখন দেশের বিভিন্ন রাজ্য়ে কার্ফু বা লকডাউন শুরু হয়েছে। যার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে অর্থনীতিতে। নাইট ও উইকএন্ড কার্ফু, রাজনৈতিক লকডাউন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে রাজ্য সরকারগুলো। যার প্রভাব পড়েছে অর্থনীতিতে। সম্পূর্ণ ব্যবসার ৪০ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। করোনা সংক্রমণ আটকাতে শপিং মল, শে রুম, ব্র্যান্ডেড দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রায় ৫০ শতাংশ রিটেল স্টোর বন্ধ। ডেটা অ্যানালাইসিস বলছে এর ফলে গত বছরের মার্চের তুলনায় এই বছরের মার্চে ২৩ শতাংশ ব্যবসা পড়েছে। গত এক সপ্তাহে দিল্লির খান মার্কেটের মতো বাজারে ৫০ শতাংশ ব্যবসা পড়ে গিয়েছে।

করোনা সংক্রমণ এড়াতে দিল্লি সরকার উইকএন্ড লকডাউন ঘোষণা করেছে। খান মার্কেট অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট সঞ্জীব মেহরা বলেছেন, “সব মার্কেটকে শাস্তি দেওয়ার কী আছে? মার্কেটে কচিৎ কোনও গ্রাহক আসেম। সরকারকে সেই সব মার্কেট চিহ্নিত করা উচিত যেগুলো হটস্পট। তারপর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। যবে থেকে সরকার উইকএন্ড লকডাউনের কথা ঘোষণা করেছে তা সঠিকভাবে পালন করা হচ্ছে। আগের লকডাউনের অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল ব্যবসা। একটু সবুজ আলো দেখতে পেয়েছিল। কিন্তু ফের লকডাউন ও কার্ফুর ফলে তা অঙ্কুরেই বিনষ্ট হয়ে গেল।”

তবে বড় কোম্পানিগুলি কিন্তু আতঙ্কে নেই। পার্লে প্রোডাক্টসের সিনিয়র ক্যাটেগরি প্রধান ময়ঙ্ক শাহ জানিয়েছেন, “গত বছর থেকে অনেক কিছু শিক্ষা নেওয়া গেছে। এবার আরও ভালোভাবে ম্যানেজ করা যাবে। কোম্পানিগুলো জানে কীভাব পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হবে। সরকারও অনেক কিছু শিখেছে যে লকডাউন ঘোষণা করলে কী কী পদক্ষেপ নিতে হবে।” মারিও কোম্পানিও ব্যবসা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.