সুরাত: করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রুখতে এবার আরও কড়া প্রশাসন। শহরের রাস্তায় ঢোকা-বেরনো সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে এবার কার্ফু জারির সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের। বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকেই গুজরাতের সুরাতের ৫ জায়গায় কার্ফু জারির সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। আগামী ২২ এপ্রিল পর্যন্ত সুরাতের ওই ৫ জায়গায় জারি থাকবে কার্ফু।

গুজরাতে ক্রমেই বাড়ছে মারণ করোনার সংক্রমণ। ইতিমধ্যেই রাজ্যে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮৭১। বুধবার রাতেই গুজরাতে নতুন করে ১০৫ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ছেন। এখনও পর্যন্ত সেরাজ্যে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৩৬ জনের।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবার আরও কড়া সিদ্ধান্ত গুজরাত সরকারের। গত কয়েকদিনে সুরাতের বিভিন্ন এলাকায় ক্রমেই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এবার ৫টি হটস্পট চিহ্নিত করে সেখানে কার্ফু জারির সিদ্ধান্ত গুজরাত সরকারের।

করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রুখতে বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকেই সুরাতের সালাবতপুরা, মাহিধরপুরা, লালগেট, অথওয়ালাইনস ও লিম্বায়ত থানা এলাকায় জারি হবে কার্ফু। ইতিমধ্যেই এই মর্মে নির্দেশিকা পৌঁছে গিয়েছে সংশ্লিষ্ট থানাগুলিতে। আগামী ২২ এপ্রিল পর্যন্ত এই এলাকাগুলিতে জারি থাকবে কার্ফু। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের সুবিধার্থে ওই দিনগুলিতে দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত কার্ফু শিথিল করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

গুজারতের স্বাস্থ্য সচিব জানিয়েছেন, গত ১২ ঘণ্টায় নতুন করে ১০৫ জন রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। যার মধ্যে ৪২ জন আহমেদাবাদের বাসিন্দা ও বাকি ৩৫ জন সুরাতের। গুজরাতের ৫টি জেলাতেই করোনার সংক্রমণ ব্যাপকভাবে ছড়িয়েছে।

রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত রাজধানী আহমেদাবাদেই ৪৯২ জন নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। ভাদাদোরায় ১২৭ জন , সুরাতে ৮৬ জন, রাজকোটে ২৭ জন ও ভাবনগরে ২৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব