নয়াদিল্লি: ভূ-স্বর্গে ফের জঙ্গি হামলার আশঙ্কা। তাই সতর্ক হয়ে আগে থেকেই মঙ্গল ও বুধবার কাশ্মীরে কার্ফু জারি করল প্রশাসন। নতুন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে বুধবার একবছর পূর্ণ করছে কাশ্মীর। ওই দিন হামলার আশঙ্কাতেই জারি করা হয়েছে কার্ফু।

শ্রীনগরের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এক অর্ডারে জানিয়েছেন, বিচ্ছিন্নতাবাদী এবং কিছু পাকিস্তানি সাহায্যপ্রাপ্ত সংগঠন ৫ অগস্টকে কালো তালিকাভুক্ত করার পরিকল্পনা করেছে। জানানো হয়েছে, জনজীবন ও সম্পত্তি নষ্ট করার মতো সহিংস হামলার আশঙ্কা করা হচ্ছে, এব্যাপারে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়ার পরেই কার্ফু জারি করা হয়েছে। সমগ্র কাশ্মীর উপত্যকা জুড়ে কার্ফু জারি রয়েছে।

কার্ফু জারি থাকলেও করোনার মধ্যে যে সকল ব্যক্তিরা প্রয়োজনীয় পরিষেবাগুলিতে যুক্ত রয়েছেন, তাঁদের এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছর কাশ্মীরকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণার সময়ে ও সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করার পরে এই একই ধরনের কার্ফু আরোপ করা হয়েছিল। কয়েকশ রাজনৈতিক নেতাকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি সহ অনেক নেতা এখনও গৃহবন্দী রয়েছেন।

জারি হওয়া কার্ফুতে বলা হয়েছে, এই কার্ফুর আদেশে করোনার বিধিনিষেধকে আরও শক্তিশালী করবে। বলা হয়েছে, এমনিতেই কন্টেনমেন্ট এলাকায় চলাচল নিষিদ্ধ, সেখানে কার্ফু জারি হলে বিধিনিষেধ আরও শক্তিশালী হবে।

অন্যদিকে গত সপ্তাহেই জম্মু কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতির বন্দিদশা আরও তিন মাস বাড়িয়েছে জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন। শুক্রবার প্রশাসনের তরফে এই মর্মে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপের পরেই ভূস্বর্গে অস্থিরতার আশঙ্কা থেকেই একাধিক রাজনৈতিক নেতাকে গৃহবন্দি করা সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় সরকার। গৃহবন্দি করা হয়েছিল জম্মু কাশ্মীরের প্রাক্তন তিন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লা, ওমর আবদুল্লা ও মেহবুবা মুফতি-সহ উপত্যকার একাধিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে।

দীর্ঘদিন ধরে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছিল জম্মু কাশ্মীরের প্রাক্তন দুই মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লা ও ওমর আবদুল্লাকে। মাসখানেক আগে তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও