বেঙ্গালুরু: ফেসবুক পোস্ট ঘিরে মঙ্গলবার রাত থেকে উত্তপ্ত হয়েছে বেঙ্গালুরুর ডিজে হাল্লি এলাকা। পুলিশের গুলিতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে, জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা। উত্তেজনা এতটাই বাড়ছে যে কার্ফু স্বাধীনতা দিবসের ভোর অবধি থাকবে বলেই ঘোষণা করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, ১৪৪ ধারা ডিজে হাল্লি এবং কেজি হাল্লি এলাকায় ১৫ অগাস্ট সকাল ৬টা অবধি থাকবে। শুধু তাই নয়, বেঙ্গালুরু ভায়োলেন্স নিয়ে ১১ অগাস্ট মূল ১৭ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে এফআইআর।

মঙ্গলবার রাতে উত্তেজনা ছড়ায় বেঙ্গালুরুর ডিজে হাল্লি এলাকায়। ‘ব্যাঙ্গালোর মিরর’-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, অভিযোগ ওঠে, কংগ্রেস বিধায়ক আর অখণ্ড শ্রীনিবাস মূর্তির এক আত্মীয় ওই বিতর্কিত পোস্ট করেন।

এরপরেই বিক্ষোভকারীরা ওই বাড়ি ঘিরে ধরে। এমনকি পুলিশের ওপরও হামলা চালানো হয় বলে দাবি করা হয়েছে। এনডিটিভি সূত্রে খবর ঘটনায় ১১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পরিস্থিতি বুঝে রাতেই ওই এলাকায় জারি করা হয় ১৪৪ ধারা। জানা গিয়েছে, স্থানীয়রা থানায় গিয়ে ওই বিধায়কের আত্মীয়ের বিরুদ্ধে এফআইআর করতে চেয়েছিলেন বিক্ষোভকারীরা। কিন্তু অভিযোগ নেওয়ার ক্ষেত্রে পুলিশ গুরুত্ব দেয়নি বলে দাবি, তখন বিক্ষোভ শুরু হয়। ডিসিপি-র উপরেও হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ।

অন্যদিকে বিধায়কের ওই আত্মীয় জানিয়েছেন, তাঁর অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছিল। ওই পোস্টের বিষয়ে কিছু জানেন না তিনি। কর্ণাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। সব মিলিয়ে উত্তেজনা চরমে উঠেছে।

এদিকে ‘ইন্ডিয়া টুডে’-তে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, একাধিক গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় মঙ্গলবার রাতে। পুলিশ কমিশনার কমল পন্ত ট্যুইট করে জানিয়েছেন, যে ব্যক্তি ফেসবুক পোস্ট করেছিলেন, তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সেইসঙ্গে পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছোঁড়া সহ একাধিক অভিযোগে ১১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বেঙ্গালুরুর ঘটনা নিয়ে কংগ্রেসকে খোঁচা দিয়েছে বিজেপি। টুইটারে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বকে বিঁধেছেন কর্নাটকের বিজেপি নেতা বি এল সন্তোষ। এদিকে, বেঙ্গালুরুর সংঘর্ষে কংগ্রেস বিধায়কের নাম জড়ানোয় আসরে নেমেছে গেরুয়া শিবির। কর্ণাটকের বিজেপি নেতা বি এল সন্তোষ কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের নীরবতা নিয়ে সুর চড়িয়েছেন টুইটারে। সেই সঙ্গে ওই বিধায়কের বিরুদ্ধে আদৌ কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হবে কিনা, সেই নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন ওই বিজেপি নেতা।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও