নয়াদিল্লি: মঙ্গলবার সন্ধেয় নতুন করে অশান্ত হয়ে ওঠে দিল্লির চাঁদবাগ এলাকা৷ একদিকে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন ও এনআরসির প্রতিবাদে আন্দোলন ও অন্যদিকে আন্দোলনকারীদের দমন করতে ময়দানে অন্যপক্ষের দাপাদাপি৷ দু’পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ বেঁধে যায়৷ এলাকার একাধিক দোকানে চলে ভাঙচুর, আগুন৷ পরিস্থিতি সামলাতে দিল্লির মৌজপুর, জাফরাবাদ, চাঁদবাগ, কারাওয়াল নগরে কার্ফু জারি প্রশাসনের৷

মঙ্গলবার সন্ধেয় নতুন করে উত্তর-পূর্ব দিল্লির একাধিক এলাকা অশান্ত হয়ে ওঠে৷ চাঁদবাগে সিএএ ও এনআরসির প্রতিবাদে পথে নামেন মানুষ৷ অনেককে লোহার রড, লাঠি নিয়েও দাপাদাপি করতে দেখা যায়৷ উল্টোদিকে, আন্দোলন দমনের নামেও কয়েকশো লোক জড়ো হয় এলাকায়৷ মুহূর্তে সংঘর্ষ বেঁধে যায় দু’পক্ষের মধ্যে৷ এরই মধ্যে রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়েও বিক্ষোভ শুরু করে কয়েকজন৷ পুলিশ লাঠি উঁচিয়ে তেড়ে গিয়ে বিক্ষোভ তুলে দেয়৷

দিল্লিবাসীকে শান্ত থাকার আবেদন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল৷ রাজধানীর পরিস্থিতি নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে কথা বলেছেন কেজরিওয়াল৷ দিল্লির যে এলাকাগুলিতে অশান্তি ছড়িয়েছে সেই এলাকার বিধায়কদের সঙ্গে কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল৷ এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রাখতে সচেষ্ট হতে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ বাইরে থেকে কেউ ঢুকে যাতে দিল্লির পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করতে না পারে সেব্যাপারে প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে বলেছেন কেজরিওয়াল৷

দিল্লির অশান্তিতে একশোরও বেশি সাধারণ মানুষ আহত হওয়ার পাশাপাশি ৫০-এর বেশি পুলিশকর্মীও আহত হয়েছেন৷ রবিবার থেকে শুরু হয়েছে সংঘর্ষ৷ দফায়-দফায় সংঘর্ষ ছড়িয়েছে জাফরাবাদ, মৌজপুর, চাঁদবাগ, ভজনপুরাচক এলাকায়৷ একদিকে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন ও এনআরসির প্রতিবাদে পথে নেমে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন শ’য়ে-শ’য়ে মানুষ৷ উল্টোদিকে সিএএ ও এনআরসির পক্ষে সমর্থন জানিয়ে পথে নেমে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়াচ্ছেন অন্যপক্ষ৷

দিল্লির অশান্তির দিকে নজর রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের৷ ঘটনায় উদ্বিগ্ন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ বিবদমান সব পক্ষকে শান্তি বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ মঙ্গলবার তিনি বলেন, ‘ভারতবর্ষ শান্তির দেশ৷ সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে চলাই দেশের পরম্পরা৷ এদেশে হিংসার কোনও স্থান নেই৷ দেশবাসী শান্তি চান৷ সবাইকে আবেদন জানাচ্ছি, শান্তি বজায় রাখুন৷’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।