নানা রকম রঙ, ডিজাইনের কাপকেক থরে থরে সাজানো। ক্রিসমাস মানেই এমন একটা মিষ্টি ছবি ভেসে ওঠে। বাইরের কেক না খেয়ে বাড়ির বাচ্চাদের হাতে তুলে দিন রংবেরঙের কাপ কেক। তৈরি করা যেমন সহজ, মজার মিলবে দ্বিগুণ।

কাপ কেক তৈরির জন্য উপকরণ: ময়দা দেড় কাপ, ডিম ২ টি, চিনি ১ কাপ, ভ্যানিলা এসেন্স ১ চা চামচ, দুধ আধ কাপ, বাটার বা তেল ২ টেবিল চামচ, বেকিং পাউডার ১ চা চামচ

ক্রিম তৈরির জন্য উপকরণ: বাটার ১০০ গ্রাম, আইসিং সুগার বা গুঁড়ো চিনি ১ কাপ, ঠাণ্ডা দুধ ১/৩ কাপ, ভ্যানিলা এসেন্স ১ চা চামচ।

প্রস্তুত প্রনালি: প্রথমে একটি বাটিতে ময়দা ও বেকিং পাউডার মিশিয়ে চেলে রেখে দিন। এতে ময়দা ঝরঝরে হবে আর বেকিং পাউডার ময়দার সাথে ভালোভাবে মিশে যাবে। এবার ডিম ভেঙে ডিমের কুসুম আর সাদা অংশ আলাদা দুটি বাটিতে রাখতে হবে।

প্রথমে ডিমের সাদা অংশ ইলেকট্রিক বিটারের সাহায্যে ভালো করে বিট করে নিতে হবে। ইলেকট্রিক বিটার না থাকলে অন্য যেকোনো বিটারের সাহায্যে খুব স্পিডে বিট করে ফোম বানাতে হবে। এরপর এর সাথে ডিমের কুসুম ও চিনি দিয়ে আবার বিট করে মেশাতে হবে। তারপর দুধ, তেল ও ভ্যানিলা এসেন্স দিয়ে মেশাতে হবে।

এখন সবশেষে বিটার রেখে দিয়ে একটা চামচের সাহায্যে হালকা নেড়ে ডিমের মিশ্রণের সাথে ময়দার মিশ্রণ ভালো করে মেশাতে হবে। ময়দা দেবার পর আর বিট করা যাবে না, তাহলে ফোম বসে যাবে আর কেক ফুলবে না।

এবার কাপকেক তৈরির কাপগুলোতে কেকের মিশ্রণ কাপের অর্ধেক অংশ পর্যন্ত ঢালতে হবে। কারণ কেক ফুলে দ্বিগুন হবে। বাজারে কাপকেক বানানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের কাপ কিনতে পাওয়া যায়।এরপর কাপগুলো একটি ট্রেতে করে ইলেকট্রিক ওভেনে ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ৩০ মিনিট বেক করুন। আর মাইক্রোওয়েভ ওভেনে ১ মিনিট বেক করতে হবে। হয়ে গেলে বের করে ঠাণ্ডা হতে দিন।

এখন ক্রিম তৈরির জন্য বাটার ও আইসিং সুগার একসাথে নিয়ে ৫ মিনিট ভালোভাবে বিট করতে হবে। এর সাথে ঠাণ্ডা দুধ ও ভ্যানিলা এসেন্স দিয়ে আরো ৫-৭ মিনিট বিট করতে হবে। ভালোভাবে বিট করলেই সুন্দর ক্রীম তৈরি হবে। কাপ কেকগুলোর উপরে ভ্যানিলা বাটার ক্রীম পছন্দ মতো সাজিয়ে পরিবেশন করুন। এই উপকরণে ৭-৮ টি কাপকেক হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।