স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: জরাজীর্ণ অবস্থা কালভার্টের। প্রতিদিনই এই কালভার্টের উপর দিয়ে প্রান হাতেনিয়ে যাতায়াত করেন স্কুল- কলেজের ছাত্র-ছাত্রী থেকে শুরু করে এলাকার স্থানীয় মানুষজন। বাঁকুড়া জেলার নিত্যানন্দপুরর গ্রাম সংলগ্ন একটি খালের উপর তৈরি বাম আমলের এই কালভার্টটি। বর্তমানে বয়সের ভারে জরাজীর্ণ অবস্থা এই কালভার্টের। এলাকার মানুষ স্থানীয় প্রশাসনকে এই কালভার্টটি সংস্কারের ব্যাপারে অনেকবার আবেদন করলেও তাতে প্রশাসনের তরফ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি বলে জানা গিয়েছে।

সূত্রের খবর, বিগত বামআমলে বাঁকুড়া জেলার সোনামুখী রাধামোহনপুর গ্রাম এবং নিত্যানন্দপুর গ্রাম এলাকার মানুষের যাতায়াতের সুবিধার জন্য নিত্যানন্দপুর গ্রামের পাশে একটি খালের উপর তৈরি করা হয়েছিল এই কালভার্টটি। সময়ের সাথে সাথে যেমন সরকার, রাজ্য-রাজনৈতিক অবস্থা পাল্টেছে একই ভাবে বয়সের ভারে বর্তমানে এই কালভার্টটির জরাজীর্ণ অবস্থায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে।

জানা গিয়েছে, এই কালভার্টের উপর দিয়ে প্রতিনিয়ত যাতায়াত করেন সোনামুখী রাধামোহনপুর গ্রাম এবং নিত্যানন্দপুর গ্রামের লোকজন। প্রতিদিনই প্রানের ঝুঁকি নিয়ে পার হতে হচ্ছে এই কালভার্টটি । জানা গিয়েছে স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রশাসন থেকে জেলা প্রশাসন সবাইকে এই কালভার্টের সংস্কারের বিষয়ে আবেদন জানানো হলেও কারও কাছ থেকে কোনও উত্তর পাননি এলাকার স্থানীয় মানুষ জন।

কালভার্টের উপর দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াতকারি স্থানীয় মানুষেরা জানিয়েছেন, বয়সের ভারে বর্তমানে ওই কালভার্টের এতটাই খারাপ অবস্থা যে, কালভার্টের দু -পাশের গার্ডোয়াল যেমন ভেঙে গিয়েছে তেমনি তার বিভিন্ন অংশে ধরেছে ফাটল। রড, সিমেন্ট, পাথর বেরিয়ে কঙ্কালসার অবস্থা কালভার্টের। আর এই ভগ্নপ্রায় কালভার্ট দিয়েই প্রতিদিন রাজাপাড়া, সুমিতিমানা সহ বেশ কিছু গ্রামের কয়েকহাজার মানুষ এখান দিয়ে যাতায়াত করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা নরোত্তম রায় প্রশাসনের গাফিলতির কথা তুলে বলেছেন, বর্ষার সময়ে তাঁদের সবসময় আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হয়। নরোত্তম বাবুর কথায়, ‘অতিরিক্ত বর্ষা হলে জলের তোড়ে কালভার্ট যেকোনোও সময় ভেঙে পড়তে পারে’।

তিনি বলেন, বর্ষাকালে গ্রামের মানুষ নিজেরাই উদ্যেগ নিয়ে মাটি ফেলে যাতায়াতের ব্যবস্থা করেন। শুধু তাই নয় জানা গিয়েছে, বর্ষাকালে খালের জল বেড়ে গেলে কালভার্টের উপর দিয়ে বইতে থাকে জল। এলাকার মানুষেরা জানান, সেই সময় আশে পাশের অঞ্চলের সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দা সন্তোষ দাসের দাবি, সাধারন মানুষের পাশাপাশি গ্রাম পঞ্চায়েতের পদাধিকারিকরাও এই কালভার্টের উপর দিয়েই যাতায়াত করেন। তারাও সব দেখে নিশ্চুপ রয়েছেন বলে অভিযোগ করেন সন্তোষ বাবু।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।