নয়াদিল্লি: মাত্র কয়েকমাসের ব্যবধানেই ফের আসর বসবে আইপিএলের। তাই প্রাথমিকভাবে স্থির ছিল ২০২১ মরশুমের আগে আর কোনও নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো প্রয়োজনে নিজেদের মধ্যে সোয়্যাপ ডিল করতে পারে।

কিন্তু ত্রয়োদশ আইপিএল শেষ হওয়ার পরেই বিসিসিআই’য়ের তরফ থেকে আনঅফিসিয়ালি জানানো হয়েছে চতুর্দশ আইপিএলের আগে মেগা নিলামের বন্দোবস্ত করা হবে। এমনকি পরের বছর ইন্ডিয়ান প্রিমিয়র লিগে দেখা যেতে পারে নয়া ফ্র্যাঞ্চাইজি দলকে। তবে কোনওকিছুই চূড়ান্ত নয় এখনও।

কিন্তু নিলাম যদি বড় করে অনুষ্ঠিত হয় তাহলে চেন্নাই সুপার কিংসের উচিৎ মহেন্দ্র সিং ধোনিকে ছেড়ে দেওয়া। প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা ধারাভাষ্যকার আকাশ চোপড়ার এমন মন্তব্যে হঠাতই শোরগোল। তবে এর পিছনে প্রয়োজনীয় যুক্তিও খাড়া করেছেন প্রাক্তন ধারাভাষ্যকার।

তাঁর কথায় ধোনিকে চেন্নাই রেখে দিলে তাদের ১৫ কোটি টাকা খরচ করতে হবে। সেক্ষেত্রে ধোনিকে যদি তারা ছেড়ে দেয় তাহলে রাইট টু ম্যাচ কার্ড ব্যবহার করে তাদের কাছে সুযোগ থাকবে ধোনিকে ফের দলে নেওয়ায়। অর্থাৎ, সেক্ষেত্রে অনেক কম অর্থে চেন্নাই ধোনিকে পেতে পারে, এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন আকাশ।

ফেসবুকে একটি ভিডিও পোস্ট করে আকাশ বলেছেন, ‘যদি মেগা নিলাম অনুষ্ঠিত হয় তাহলে অবশ্যই ওদের উচিৎ তিন বছরের জন্য কোনও ক্রিকেটারকে দলে নেওয়া। কিন্তু ধোনি কী তিন বছর চেন্নাইয়ের হয়ে খেলতে পারবে? আমি বলছি না যে ধোনিকে দলে রেখো না। ও অবশ্যই পরের আইপিএল খেলবে।

কিন্তু ওকে যদি ধরে রাখা হয় তাহলে তোমাকে ১৫ কোটি টাকা খরচ করতে হবে।’ প্রাক্তন ক্রিকেটার আরও বলেন, ‘ধোনি যদি শুধুমাত্র ২০২১ মরশুমটাই খেলে সেক্ষেত্রে ২০২২ মরশুমে গিয়ে তুমি টাকাটা পেয়ে যাবে। কিন্তু সেই টাকা দিয়ে প্রয়োজনীয় ক্রিকেটার কিনবে কীভাবে? এটাই মেগা নিলামের অ্যাডভান্টেজ।

তুমি ধোনিকে ছেড়ে দিলেও রাইট টু ম্যাচ কার্ড ব্যবহার করে আবার দলে নিতে পারবে। সঙ্গে টাকাও তোমার পকেটে থাকবে। সিএসকে’র দৃষ্টিকোন থেকে দেখতে গেলে যদি ওরা ধোনিকে ছেড়ে দিয়ে ফের দলে নেয় তাহলে অনেক লাভবান হবে।’

এমনকি সিএসকে’র পক্ষে এই মেগা নিলাম অত্যন্ত লাভজনক হবে বলেও মনে করেন আকাশ চোপড়া। শেন ওয়াটসন ইতিমধ্যেই অবসর ঘোষণা করেছেন সমস্ত ধরনের ক্রিকেটের থেকে। তাই বর্তমান স্কোয়াড থেকে ধরে রাখার মত ক্রিকেটার সিএসকে’র কাছে বিশেষ নেই বলেই মত আকাশের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I