জয়পুর: নিজেদের ডেরায় ‘রান বন্দি’! ঝুঁকিতেই ডুবল রাজস্থান৷

রাহানেদের ব্যাটিং দেখে এটাই বলা চলে৷ শুরুটা দাপটের সঙ্গে করলেও ধোনির ক্রিকেটমস্তিষ্কের কাছে ঘরের মাঠেই ‘রান বন্দি’ রাহানের রাজস্থান৷ জয়পুরে হাল্লা বোল থামিয়ে হুইসেল পডু’র সুর৷

বাটলারের ১০ বলে ২৩ রানের ঝড় দেখে  ঘরের মাঠে ১৮০ প্লাস স্কোরের একটা ইঙ্গিত করেছিলেন জয়পুরের সমর্থকরা৷ ২.৫ ওভারে রাহানের সঙ্গে শুরুতে জোসের পার্টনারশিপ ৩১ রানের৷ দুই ওপেনার দ্রুত ফিরতেই এরপর চিত্রনাট্যে বদল৷ দিনের শেষে বেপড়োয়া খেলতে গিয়ে একের পর এক উইকেট ছুঁড়ে দিয়ে এসে ১৫০ রানের কোটায় ‘বন্দি’ রাজস্থান৷

ধোনির তুখোড় বোলিং চেঞ্জের কাছে রাজস্থানের জারিজুরি শেষ৷ চাহার-শার্দুল পেস জুটির সামনে উইকেট ছুঁড়ে দিয়ে এসে ২০ ওভারে ১৫১ রান তুলল রাজস্থান৷ দুই পেসারই দুটি করে উইকেট পেয়েছেন৷ সেই সঙ্গে দুই স্পিনার স্যান্টার ও জাদেজা দুটি করে উইকেট তুলে নিলেন৷  স্মিথকে সাজঘরের রাস্তা দেখিয়ে আইপিএলের ১০০তম উইকেটটি এদিন পকেটে পুরলেন জাদেজা৷

আর দিনের শেষে ধোনি বোঝালেন কেন তিনিই আইপিএলে সবচেয়ে সেরা কাপ্তান৷ তরুণদের উপর আস্থা রেখে বিপক্ষকে কীভাবে ‘রান বন্দি’ করতে হয়, সেটাই দেখালেন মাহি৷

ইনিংসের ২০ তম ওভারে অবশ্য শার্দুলকে মনের সুখে ‘ঠেঙিয়ে’  ১৮ রান তুললেন জোফরা-শ্রেয়স জুটি৷ শেষদিকে দুই ডানহাতির ২৫ রানের ক্যামিও পার্টনারশিপে ভর করেই ১৫১ রানের গণ্ডিতে পৌঁছায় রাজস্থান৷ ম্যাচ জিততে চেন্নাইয়ের প্রয়োজন ১৫২ রান৷ এই রান তাড়া করতে নেমে চেন্নাইয়ের ওয়াটসন-ডুপ্লেসিসরা, জোফরা-স্টোকসদের বোলিং আক্রমণ কীভাবে সামলান সেটাই এখন দেখার৷