মুম্বই: প্রথম দু’ম্যাচে ব্যাট হাতে সফল ছিলেন তিনি। আর সোমবার তাঁর প্রতি ফ্র্যাঞ্চাইজির আস্থাকে মর্যাদা দিয়ে ব্যাটের সাথে বল হাতে অল-রাউন্ড দক্ষতার কথা জানান দিলেন মইন আলি। ওয়াংখেড়েতে এদিন মোক্ষম সময়ে ইংরেজ স্পিনারের পাঁচ বলে ৩ উইকেটই জয়ের রাস্তা থেকে রয়্যালসদের ছিটকে দিল পুরোপুরি। ৪৫ রানের বড় জয়ে ফের স্বমহিমায় চেন্নাই সুপার কিংস।

টস জিতে এদিন ওয়াংখেড়েতে সুপার কিংস’কে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠায় রয়্যালস। ব্যাট হাতে চেন্নাই’য়ের হয়ে এদিন সেই অর্থে কেউ জ্বলে না উঠলেও সম্মিলিত প্রয়াসে স্কোরবোর্ডে চ্যালেঞ্জিং রান খাড়া করে তারা। ডু’প্লেসির ১৭ বলে ৩৩, রায়াডুর ১৭ বলে ২৭, মইন আলির ২০ বলে ২৬ কিংবা শেষদিকে ব্র্যাভোর ৮ বলে ২০ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। তবে নাইটদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ম্যাচে ওপেনিং’য়ে রদবদল হলে অবাক হলে কিছু থাকবে না।

ম্যাচ শুরুর আগে প্রথম দু’ম্যাচে ব্যর্থ রুতুরাজের পাশে অধিনায়ক ধোনি দাঁড়ালেও এদিন ফের ব্যর্থ তরুণ ওপেনার। ১০ রানে ফিরলেন তিনি। রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল চেতন সাকারিয়া। ধোনি-সহ ৩৬ রানে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে এই ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখলেন সৌরাষ্ট্রের এই প্রতিভাবান বাঁ-হাতি বোলার। রায়না এবং রায়াডুর উইকেটও তাঁর ঝুলিতে। ২০ ওভারে শেষ অবধি ৯ উইকেট হারিয়ে ১৮৮ রান তোলে চেন্নাই।

জবাবে রয়্যালসদের হয়েও ওপেনিং’য়ে ফের ব্যর্থ মনন ভোহরা। ১১ বলে ১৪ রান করে ফিরলেন তিনি। ১ রানে আউট অধিনায়ক সঞ্জু। তবে বাটলার রানে ফেরায় ১১ ওভার অবধি জয়ের স্বপ্ন ভালোমতোই জারি ছিল রয়্যালস শিবিরে। এরপর দ্বাদশ ওভারে বাটলার এবং শিবম দুবে’কে ফিরিয়ে রয়্যালসদের জোড়া ধাক্কা দেন রবীন্দ্র জাদেজা। ৩৫ বলে ৪৯ রানে ফেরেন বাটলার। ১৭ রান করে আউট হন দুবে।

এরপর ডেভিড মিলার, ক্রিস মরিসের ব্যাটে রয়্যালসের যে আশাটুকু বেঁচে ছিল, তাঁর সলিল-সমাধি হয় মইনের স্পিনে। ১২.৫ থেকে ১৪.৩ ওভার, নিজের পাঁচ বলে মিলার, পরাগ, মরিসকে ফিরিয়ে সুপার কিংসের জয় নিশ্চিত করে দেন ইংরেজ স্পিনার। ৮৬/২ থেকে ৯৫/৭ হয়ে যাওয়ার পর কোনও আশা বেঁচে ছিল না রয়্যালসের জন্য। তবুও ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪৩ রান তুলতে সমর্থ হয়।

কিন্তু জয় থেকে অনেকটাই দূরে থেমে যেতে হয় রয়্যালসদের। জাদেজা-মইন যুগলবন্দিতে ৪৫ রানে জয় পেয়ে গত ম্যাচের পর রান-রেটে আরও উন্নতি করে নিল সুপার কিংস।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.