জোহানেসবার্গ: আত্মবিশ্বাসী ছিলেন না। সেকারণে ইচ্ছে থাকলেও গত মাসে দেশের ক্রিকেট বোর্ডের ডিরেক্টর হওয়ার দৌড় থেকে সরেছিলেন গ্রেম স্মিথ। তবে দীর্ঘ টালবাহানার অবসান। জানা গিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ডের নয়া ডিরেক্টর হচ্ছেন দেশের সফলতম টেস্ট অধিনায়ক গ্রেম স্মিথই। শনিবারই বোর্ড প্রেসিডেন্ট ক্রিস নেঞ্জানি চূড়ান্ত করেছেন বিষয়টি।

বোর্ডের বিশেষ সভার পর নেঞ্জানি এদিন জানান, ‘সব প্রতিকূলতাকে দূরে সরিয়ে আগামী সপ্তাহে বুধবার দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ডের ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করছেন স্টিভ স্মিথ। এব্যাপারে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পেরে আমি ভীষণই খুশি।’ প্রাথমিকভাবে দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করলেও বর্তমানে ক্রিকেট প্রশাসক হিসেবে নয়া এই ভূমিকাকে সাদরে গ্রহণ করছেন প্রাক্তন প্রোটিয়া অধিনায়ক নিজেও। আর দায়িত্ব নিয়েই ২৬ ডিসেম্বর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ শুরুর আগে নয়া নির্বাচক কমিটি, কোচিং স্টাফ বাছাইয়ের দায়িত্ব বর্তাবে স্মিথের উপর।

এতকিছুর পরও দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ডের দুঃসময় কাটছে না সহজে। দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ডের চিফ এক্সিকিউটিভ টনি আইরিশ নেঞ্জানি সহ বোর্ডের সকল সদস্যদের পদত্যাগের দাবি জানালেও পদ ছাড়তে নারাজ পদাধিকারীরা। ক্রিকেট বোর্ড অন্যদিকে সিইও থাবাং মোরোকে সরিয়ে নয়া চিফ এক্সিকিউটিভ হিসেবে নিয়োগ করেছে জ্যাকুয়েস ফিল’কে। পদত্যাগ করেছেন বোর্ডের তিনজন সদস্য। কি-স্পনসর স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকও চুক্তি পুনর্নবীকরনের রাস্তায় হাঁটবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সবমিলিয়ে টালমাটাল অবস্থা।

সভাপতি নেঞ্জানির কথায়, চিফ এক্সিকিউটিভ পদে প্রথম পছন্দ ছিলেন আইসিসি’র প্রাক্তন সিইও ডেভ রিচার্ডসন। কিন্তু পরে সিদ্ধান্ত হয়, পূর্ণ সময়ের জন্য নয় তবে সহকারী হিসেবে প্রয়োজনানুযায়ী তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন রিচার্ডসন।

উল্লেখ্য, ডিরেক্টর হিসেবে ভবিষ্যতে নিজের দায়িত্ব পালন নিয়ে বিশেষ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন না স্মিথ। সে কারণে নভেম্বরের মাঝামাঝি এই দৌড় থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন প্রাক্তন প্রোটিয়া অধিনায়ক। টুইটারে একটি বিবৃতি মারফৎ স্মিথচ জানিয়েছিলেন, ‘সিএসএ’র ডিরেক্টর পদের জন্য আমার ইন্টারভিউ দেওয়ার খবর চলতি সপ্তাহে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এই পদের দৌড় থেকে আমি নিজেকে সরিয়ে নিচ্ছি।’

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ