নয়াদিল্লি: একধাক্কায় তেলের দাম কমে গেল অনেক খানি। ৩০ শতাংশ তেলের দাম কমাল সৌদি আরব। আর তার জেরে ধাক্কা গোটা বিশ্বের অর্থনীতিতে। ১৯৯১-এর পর এই প্রথম এতটা দাম কমল।

অপরিশোধিত তেলের দাম গত কয়েক মাস ধরেই একটু একটু করে কমছিল। ফলে তেল উৎপাদক দেশগুলোর ব্যবসায় প্রভাব পড়ছিল। অপরিশোধিত তেলের দাম যাতে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় তা নিয়ে সম্প্রতি তেল রফতানিকারক দেশগুলোর সংগঠন সদস্য দেশগুলিকে নিয়ে বৈঠকে বসেছিল। সেখানে সদস্য দেশগুলোকে তেল উত্পাদন কমানোর কথা বলা হয়। কিন্তু তাতে সায় দেয়নি অধিকাংশ সদস্যই।

এইভাবে দাম কমে যাওয়াটা ভারতে শেয়ার বাজারে পতনের অন্যতম কারণ। HPCL, IOC ও BPCL-এর মত সংস্থার উপর বিশেষ প্রভাব পড়েছে। ওএনজিসি ও রিলায়েন্সেরও এর জন্য ক্ষতি হয়েছে।

এপ্রিল থেকে তেল উত্পাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি আরব। প্রতি দিন ১ কোটি ব্যারেল অতিরিক্ত তেল উত্পাদন করবে বলে জানিয়েছে তারা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সৌদির এই সিদ্ধান্ত সরাসরি আন্তর্জাতিক তেল বাজারে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে।

তেলের উত্পাদন বাড়ানো এবং দাম কমানো নিয়ে ইতিমধ্যেই ঠান্ডা যুদ্ধ শুরু হয়ে গিয়েছে সৌদি আরব এবং রাশিয়ার মধ্যে। বিশ্বের বৃহত্তম তেল রফতানিকারক দেশ সৌদি। তার পরেই স্থান রাশিয়ার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাশিয়াকে শায়েস্তা করতেই তেলের উত্পাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি।

এদিকে শনিবার সকালে ভারতে বাজার খুলতেই এক-ধাক্কায় ১৭০০ পয়েন্ট নেমেছিল সেনসেক্স৷ করোনা-আতঙ্কে দুপুর হতে হতেই তা ২৩৫০ পয়েন্ট নেমে যায়৷ এক সময় সেনসেক্স দাঁড়ায় ৩৫,২৩৪.৬০-তে৷ এটাই ২০১০ সালের পর একদিনের সবচেয়ে বেশি পতন৷ ৬৬২.৪ পয়েন্ট পড়েছে নিফটিও৷ এদিন টাকার দামও পড়েছে৷

শেয়ার বিশেষজ্ঞদের মতে,বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের আতঙ্ক, তার উপর আবার দেশের ভিতরে ইয়েস ব্যাংকের সংকট৷ সব মিলিয়ে সোমবার রীতিমতো ধস নামল এদেশের শেয়ার বাজারে৷ গত শুক্রবার থেকেই শেয়ারবজারের ধস নামতে শুরু করে৷ কিন্তু গত ১০ বছরকে ছাপিয়ে গেল এদিনের পতন৷

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ