বালুরঘাট, শঙ্কর দাস : তিনিও শহিদ , তবে মেলেনি কোনও সাহায্য। বছর খানেক আগে কোবরা বাহিনীর হয়ে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে সংঘর্ষে শহিদ হন জওয়ান পলাশ মন্ডল। কিন্তু সেই পরিবারের দিন কাটাছে অসহায় অবস্থায়। ক্যান্সারে বাড়িতে বিনা চিকিৎসায় পড়ে রয়েছেন শহিদ জওয়ান পলাশ মন্ডলের মা ।

সদ্য সুকমায় মাও হামলায় শহীদ হয়েছেন কোচবিহারের তিন জাওয়ান। তিন জনের বাড়িতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পাঁচ লক্ষ টাকা সাহায্যের ঘোষণা করেন।দিয়ে আসেন চাকরির আশ্বাস। এবার সামনে এল সম্পূর্ণ উল্টো ঘটনা। যেখানে মাওদের হাতে নিহত জাওয়ানের পরিবার এখনও লড়ছে ভাগ্যের সঙ্গে। সাহায্য চেয়েও ফিরতে হয়েছে খালি হাতে। দেশের জন্য শহিদ পলাশের পিতার একটাই আবেদন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের পাশে দাঁড়ান।

শহীদ সিআরপিএফ জওয়ান পলাশ মন্ডল দক্ষিণ দিনাজপুরের তপন এলাকার বাসিন্দা। ২০১৬’র ১৮ জুলাই বিহারের গয়া জেলার চন্দ্রবান্দা-ডুমরি এলাকায় মাওবাদীদের সাথে সংঘর্ষে যে দশ জওয়ান শহীদ হয়েছেন তাঁদের মধ্যেই ছিলেন  দক্ষিণ দিনাজপুরের পলাশ। পরিবারে একমাত্র ভরসা ছিলেন পলাশই।

মাস ছয়েক আগে পলাশের মা শেফালী দেবীর ক্যান্সার ধরা পড়ে। রাজ্যের সাহায্য দূর অস্ত। ব্যাংকের সমস্যায় কেন্দ্রের তরফে দেওয়া পেনশনও চালু হয়নি এখনও। সংসার চলছে দাদা তরুণ মন্ডলের মুদির দোকান প্রাপ্ত বেতন থেকে। অর্থের অভাবে মুম্বইয়ে ক্যান্সারের চিকিৎসা করাতে নিয়ে যেতে পারছেন না মা’কে ।

 

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।