স্টাফ রিপোর্টার, তমলুক: করোনা আবহে এবার নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে মৎস্যজীবীদের জালে ধরা পড়ল কুমিরের বাচ্চা। এদিন সকালে কুমিরের বাচ্চা উদ্ধারের ঘটনার খবর চাউর হতেই চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় ওই এলাকায়।

জানা গিয়েছে, এদিন ভোরবেলা মৎস্যজীবীরা জাল নিয়ে মাছ ধরতে যাওয়ার সময় নদীর চরে কুমিরের বাচ্চাটিকে পড়ে থাকতে দেখেন। এরপরই দ্রুত তাঁরা খবর দেন বনদফতরে। পরে বনদফতরের আধিকারিকরা এসে সেটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। কুমিরের বাচ্চাটি লম্বায় প্রায় এক ফুট।

জানা গিয়েছে, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার খেজুরি- ২ ব্লকের পশ্চিম পাঁচুড়িয়া গ্রামের বাসিন্দারা নদীতে মাছ ধরেই সংসার চালান। সেই কারনেই এই এলাকার বাসিন্দা পেশায় মৎস্যজীবিরা সমুদ্র সংলগ্ন খাঁড়িতে সকালে মাছ ও কাঁকড়া ধরতে গিয়েছিলেন। সেই সময় তাঁরা এই বাচ্চা কুমিরটিকে নদীর চরে ঘুরে বেড়াতে দেখেন।

মৎস্যজীবিদের হাতে ফের কুমির বাচ্চা ধরা পড়ার খবর ছড়িয়ে পড়তে কাতারে কাতারে উৎসাহী মানুষ মানুষ ভীড় জমায় নদীর চরে।এর আগে চলতি মাসের ১২ তারিখে সমুদ্র সংলগ্ন খাঁড়িতে সকালে মাছ ও কাঁকড়া ধরতে গিয়ে খেজুরি নিচকসবা গ্রামের বাসিন্দা মৎস্যজীবী নভেন্দু দাস এর জালে উঠে এসেছিলো কুমির বাচ্চা ।এবার পশ্চিম পাঁচুড়িয়াতে মৎস্যজীবিদের হাতে ধরা পড়লো এই কুমির বাচ্চা ।খবর পেয়ে বন দফতরের আধিকারিকেরা ঘটনাস্থলে ছুটে যায়।

কুমির বাচ্চা পাওয়া গেছে জানতে পেরে ঘটনাস্থলে হাজির হয় বনদপ্তরে অধিকারীরা। স্থানীয় মানুষ ও বন দফতরের মতে খেজুরি তথা কাঁথির সমুদ্র উপকূলে কুমির ধরা পড়ার ঘটনা সম্ভবত এই নিয়ে দ্বিতীয়বার ঘটল । জানা গেছে মৎস্যজীবিদের জালে ধরা পড়া এই বাচ্চা কুমিরটি বর্তমানে বন দপ্তরের খেজুরির বিট অফিসের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।

তবে এই এলাকায় কি ভাবে কুমিরের মত প্রানী পাওয়া যাচ্ছে সেই বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলতে পারছেন না বন দফতর।তাঁদের আশঙ্কা আমপান ঝড়ের সময় কিংবা অন্য কোনও ভাবে মা কুমির এই এলাকায় চলে আসে । সেই কুমির বাচ্চা প্রসব করায় এগুলি নজরে আসচ্ছে।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।