স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: তাঁকে অন্ধকারে রেখে বাংলাদেশের সঙ্গে তিস্তা জল বণ্টন চুক্তি করতে চলেছে কেন্দ্রীর মোদী সরকার৷ একাধিকবার এই অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ শুক্রবার রাজ্য বিজেপি দফতরে জনতার দরবারে যোগ দিতে এসে মুখ্যমন্ত্রীকে জবাব দিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়৷ তিনি আশ্বাস দিয়েছেন যে, রাজ্যকে না জানিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে তিস্তা জল বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষর করবে না কেন্দ্র৷ রাজ্যের মতামত নিয়েই চুক্তি হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন আসানসোলের সাংসদ৷

কিছুদিন আগেই একটি বেসরকারি সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন যে, তাঁর কাছে খবর রয়েছে আগামী ২৫ মে বাংলাদেশের সঙ্গে তিস্তা জল বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষর করবে ভারত৷ কিন্তু কেন্দ্রের মোদী সরকারের পক্ষ থেকে তাঁকে কোনও বিষয়ে জানান হয়নি৷ এমনকি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তুলে লোকসভাতেও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদরা৷ কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দলের এই অভিযোগ সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়৷

শুক্রবার রাজ্য বিজেপি দফতরে জনতার দরবারে যোগ দিতে এসেছিলেন বাবুল সুপ্রিয়৷ সেখানে এসে সাধারণ মানুষের বিভিন্ন অভাব অভিযোগের কথা শোনেন তিনি৷ প্রয়োজন মতো ব্যবস্থা গ্রহণেরও আশ্বাস দিয়েছেন কেন্দ্রীয় এই নেতা৷ আগামী ৭ এপ্রিল ভারত সফরে আসছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা৷ তাঁর সফর সঙ্গী হয়েছেন বাবুল সুপ্রিয়৷ বাংলা যোগের জন্যই বাবুলকে হাসিনার সফর সঙ্গী হওয়ার দায়িত্ব সঁপেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহল৷ জানা গিয়েছে যে, হাসিনার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বৈঠকে উঠতে পারে একাধিক বিষয়৷ থাকতে পারে দু’দেশের অর্থনৈতির, সামাজিক পারস্পরিক সম্পর্কের বিষয়৷ স্থান পেতে পারে সীমান্ত সমস্যা থেকে অনুপ্রবেশ৷ তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠতে পারে তিস্তা সংক্রান্ত কথাবার্তা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।