তুরিন: ১৯ দিনের মাথায় মারণ করোনা ভাইরাস থেকে মুক্ত হলেন পর্তুগাল এবং জুভেন্তাস তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে রোনাল্ডোর ক্লাব তাঁর করোনামুক্ত হওয়ার খবর সম্পর্কে অনুরাগীদের জ্ঞাত করেছে। বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, তুরিনের বাড়িতে তাদের দলের মধ্যমণিকে আর কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে না।

উল্লেখ্য, গত ১৩ অক্টোবর দেশের হয়ে উয়েফা নেশনস লিগ চলার মাঝে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন পর্তুগিজ মহাতারকা। ফ্রান্স থেকে লিসবনে ফেরার পর তাঁর কোভিডের নমুনা পরীক্ষায় রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তড়িঘড়ি তাঁকে লিসবনে হোম আইসোলেশনে পাঠানো হয়। এরপর দিনকয়েক বাদে মেডিক্যাল ফ্লাইটে চড়ে লিসবন থেকে তুরিনে উড়িয়ে আনা হয় জুভেন্তাস তারকাকে। তবে তুরিনে এসেও আইসোলেশনে থাকতে হয়েছিল তাঁকে।

দেশের জার্সিতে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচটি মিস করার পর জুভেন্তাসের জার্সিতে সবধরনের প্রতিযোগীতা মিলিয়ে ৪টি ম্যাচ মাঠের বাইরে থাকতে হয় পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ীকে। যার মধ্যে গত বুধবার রাতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বার্সেলোনার বিরুদ্ধে ম্যাচটি অন্যতম। উল্লেখ্য, এই ম্যাচের মধ্যে দিয়ে প্রায় দু’বছর বাদে ফের প্রতিপক্ষ হিসেবে লিওনেল মেসির মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল ক্রিশ্চিয়ানোর। কিন্তু ম্যাচের ২৪ ঘন্টা আগে অবধি সিআর সেভেনের নোভেল করোনা ভাইরাসের রিপোর্ট পজিটিভই ছিল। স্বাভাবিকভাবেই মাঠে নামার অনুমতি পাননি তিনি। একইসঙ্গে একের পর এক পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসতে থাকায় উদ্বেগও বাড়ছিল।

অবশেষে শুক্রবার সমস্ত উৎকণ্ঠার অবসান হল। এদিনই ক্রিশ্চিয়ানোর শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পুনরায় কোভিড পরীক্ষা করা হয়। এবং সেই পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে বলে জানিয়েছে জুভেন্তাস কর্তৃপক্ষ। তাই আপাতত জুভেন্তাস শিবিরে যোগ দিতে কোনও অসুবিধা নেই পর্তুগিজ ফুটবল মায়েস্ত্রোর। তবে আগামী রবিবার অ্যাওয়ে ম্যাচে স্পেজিয়ার বিরুদ্ধে কোচ আন্দ্রে পিরলো তাঁকে মাঠে নামাবেন কীনা, তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২৯ অক্টোবর রোনাল্ডোর অনুপস্থিতিতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে ওসমানে দেম্বেলে এবং লিওনেল মেসির গোলে জুভেন্তাসকে হারায় বার্সেলোনা। সিরি-এ’তেও মরশুমটা মোটেই ভালো হয়নি ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের। প্রথম পাঁচ ম্যাচের মধ্যে ৩টি ম্যাচ হেরে আপাতত লিগ টেবিলে পঞ্চমস্থানে রয়েছে জুভেন্তাস।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।